ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সেতু’র নির্বাহী পরিচালক প্রয়াত মির্জা সাহাদত হোসেনের জন্মদিন পালিত শতবর্ষ পেরিয়েও প্রাসঙ্গিক “সুলতানা স্বপ্ন”: টাঙ্গাইলে পাঠ প্রতিক্রিয়া ও বই বিতরণ উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন  সাংবাদিক শেখর এর মায়ে’র পরলোকগমন ঘাটাইলে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা টাঙ্গাইলে ছাত্রদলনেতা রউফ এর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কালিহাতীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে জেন্ডার সমতা ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নাগরিক সংলাপ টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা কালিহাতীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

৪২ হাজার টাকায় রফাদফা

টাঙ্গাইলে গাঁজা ধরে ছেড়ে দিলো মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৫:৫৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

টাঙ্গাইলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এক কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারিকে আটক করে ৪২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে কয়েক দিন যাবত জেলা শহর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গত ৯ এপ্রিল রাত ৭ টায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল হাবিবের নেতৃত্বে সদর উপজেলা বিল বাথুয়াজানী গ্রামের মো. মাসুদ মিয়ার (৩৮) বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এসআই মো. রহমত আলী, এএসআই মো. আরিফুল হক, এএসআই আবু সাঈদ, সিপাহী প্রদীপ, নারী সিপাহী সুমিতা, সিপাহী হাফিজ, সিপাহী আশিক ও সিপাহী রিপনসহ মোট ৯ জন অংশ নেয়।

অভিযানের সময় এক কেজি গাঁজাসহ মাসুদ মিয়াকে আটক করে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরবর্তীতে মাসুদ মিয়াকে ছাড়াতে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। মাসুদের মা মোছা. মালা বেগম প্রতিবেশী নাসিমা বেগম, মো. নজরুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, মো. হাবুল মিয়ার নিকট হতে ধার করে এবং তাদের নিজের কাছে থাকা ৪২ হাজার টাকা ঘুষ দেন। ঘুষের টাকা পাওয়ার পর মো. মাসুদ মিয়াকে ছেড়ে দেয় এবং অভিযানে কোন মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়নি মর্মে একটি ভিডিও ধারণ করে তারা চলে আসেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্ত পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল হাবিব বলেন, আমরা অভিযান করার পর মাসুদের কাছে গাঁজা বা অন্য কোন মাদক না পাওয়ায় চলে আসি। আমাদের নামে ঘুষ নেয়ার যে বিষয়টি ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যাতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করতে না পারে সে জন্য একটি চক্র তৎপর রয়েছে।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবুল হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি মাসুদের বাড়িতে এসে তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে আপনার পরবর্তীতে অবগত করা হবে।

 

এম.কন্ঠ/  ১৪ এপ্রিল  /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

৪২ হাজার টাকায় রফাদফা

টাঙ্গাইলে গাঁজা ধরে ছেড়ে দিলো মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

প্রকাশ: ০৫:৫৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

টাঙ্গাইলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এক কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারিকে আটক করে ৪২ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে কয়েক দিন যাবত জেলা শহর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় ও গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গত ৯ এপ্রিল রাত ৭ টায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল হাবিবের নেতৃত্বে সদর উপজেলা বিল বাথুয়াজানী গ্রামের মো. মাসুদ মিয়ার (৩৮) বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এসআই মো. রহমত আলী, এএসআই মো. আরিফুল হক, এএসআই আবু সাঈদ, সিপাহী প্রদীপ, নারী সিপাহী সুমিতা, সিপাহী হাফিজ, সিপাহী আশিক ও সিপাহী রিপনসহ মোট ৯ জন অংশ নেয়।

অভিযানের সময় এক কেজি গাঁজাসহ মাসুদ মিয়াকে আটক করে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরবর্তীতে মাসুদ মিয়াকে ছাড়াতে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। মাসুদের মা মোছা. মালা বেগম প্রতিবেশী নাসিমা বেগম, মো. নজরুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, মো. হাবুল মিয়ার নিকট হতে ধার করে এবং তাদের নিজের কাছে থাকা ৪২ হাজার টাকা ঘুষ দেন। ঘুষের টাকা পাওয়ার পর মো. মাসুদ মিয়াকে ছেড়ে দেয় এবং অভিযানে কোন মাদকদ্রব্য উদ্ধার হয়নি মর্মে একটি ভিডিও ধারণ করে তারা চলে আসেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্ত পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল হাবিব বলেন, আমরা অভিযান করার পর মাসুদের কাছে গাঁজা বা অন্য কোন মাদক না পাওয়ায় চলে আসি। আমাদের নামে ঘুষ নেয়ার যে বিষয়টি ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যাতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করতে না পারে সে জন্য একটি চক্র তৎপর রয়েছে।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবুল হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি মাসুদের বাড়িতে এসে তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে আপনার পরবর্তীতে অবগত করা হবে।

 

এম.কন্ঠ/  ১৪ এপ্রিল  /এম.টি