ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক এমপির বাসা দখল

মুচলেকায় ছাড়া পেলেন সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী মিস্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০২:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলামের বাসায় মানসিক ভারসাম্যদের তুলে দেয়ার ঘটনায় মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী মারইয়াম মুকাদ্দাস মিস্টি (২৭)।

শনিবার রাতে টাঙ্গাইল সদরের সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন শরিফের কাছে মুচলেকা জমা দেন তিনি।

এর আগে সকালে ১৭ জন মানসিক ভারসাম্যদের নিয়ে শহরের আকুর টাকুর ছোট কালিবাড়ী এলাকায় জোয়াহেরুল ইসলামের বাসা জবরদখল করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপি আলোড়ন সৃষ্টি হলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। পরবর্তীতে মিস্টিকে নিয়ে সদরের সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন শরিফ, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তানবীর আহমেদসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা বৈঠক করেন। পরে রাতে যৌথবাহিনীর উদ্যোগে ১৭ জন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের পূর্বের ঠিকানায় পাঠানো হয়।

মিস্টি তার লিখিত মুচলেকায় উল্লেখ করেন, আমি আইনি অধিকার ব্যতিরেকে অন্যের ব্যক্তিগত বাড়িতে মানসিক ভারসাম্যহীন ১৭ জন নারী পুরুষকে আবাসনের চেষ্টা করে অপরাধ করেছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার পোস্টের কারণে ক্ষেত্র বিশেষে যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে তার দায় আমার উপর বর্তায়। আমি আমার নেতিবাচক ও বেআইনি কৃতকর্মের জন্য মানবিক বিবেচনায় ক্ষমাপ্রার্থী।

আমি এই মর্মে নিঃশর্ত মুচলেকা সম্পাদন করছি যে, ভবিষ্যতে সামাজিক অস্থিরতা তৈরী হয় এমন ফেসবুক পোষ্ট করা এবং ব্যক্তিগত বা সরকারি সম্পদ দখল বা ভাংচুর করাসহ অন্য কোন প্রকার অপরাধে লিপ্ত হব না। আমি প্রদত্ত মুচলেকা ভঙ্গ করলে প্রচলিত আইনে আমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে তার বিপরীতে আমার কোন আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।
এ সময় মিস্টির স্বামী শাহ আলমাসসহ ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এম.কন্ঠ/ ০৯ মার্চ  /এম.টি

 

নিউজটি শেয়ার করুন

সাবেক এমপির বাসা দখল

মুচলেকায় ছাড়া পেলেন সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী মিস্টি

প্রকাশ: ০২:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলামের বাসায় মানসিক ভারসাম্যদের তুলে দেয়ার ঘটনায় মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান সমন্বয়ক পরিচয়দানকারী মারইয়াম মুকাদ্দাস মিস্টি (২৭)।

শনিবার রাতে টাঙ্গাইল সদরের সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন শরিফের কাছে মুচলেকা জমা দেন তিনি।

এর আগে সকালে ১৭ জন মানসিক ভারসাম্যদের নিয়ে শহরের আকুর টাকুর ছোট কালিবাড়ী এলাকায় জোয়াহেরুল ইসলামের বাসা জবরদখল করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপি আলোড়ন সৃষ্টি হলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। পরবর্তীতে মিস্টিকে নিয়ে সদরের সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. রুহুল আমিন শরিফ, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তানবীর আহমেদসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা বৈঠক করেন। পরে রাতে যৌথবাহিনীর উদ্যোগে ১৭ জন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের পূর্বের ঠিকানায় পাঠানো হয়।

মিস্টি তার লিখিত মুচলেকায় উল্লেখ করেন, আমি আইনি অধিকার ব্যতিরেকে অন্যের ব্যক্তিগত বাড়িতে মানসিক ভারসাম্যহীন ১৭ জন নারী পুরুষকে আবাসনের চেষ্টা করে অপরাধ করেছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার পোস্টের কারণে ক্ষেত্র বিশেষে যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে তার দায় আমার উপর বর্তায়। আমি আমার নেতিবাচক ও বেআইনি কৃতকর্মের জন্য মানবিক বিবেচনায় ক্ষমাপ্রার্থী।

আমি এই মর্মে নিঃশর্ত মুচলেকা সম্পাদন করছি যে, ভবিষ্যতে সামাজিক অস্থিরতা তৈরী হয় এমন ফেসবুক পোষ্ট করা এবং ব্যক্তিগত বা সরকারি সম্পদ দখল বা ভাংচুর করাসহ অন্য কোন প্রকার অপরাধে লিপ্ত হব না। আমি প্রদত্ত মুচলেকা ভঙ্গ করলে প্রচলিত আইনে আমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে তার বিপরীতে আমার কোন আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।
এ সময় মিস্টির স্বামী শাহ আলমাসসহ ছাত্র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এম.কন্ঠ/ ০৯ মার্চ  /এম.টি