আমরা দ্রব্যমূল্য নানাভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি-প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বলেছেন, খামারীদের উৎপাদিত পন্য ভোক্তা পর্যন্ত আনতে হাত বদলের কারনে যে দাম বাড়ে, সেখান থেকে যদি আমরা বের হতে চাই, তাহলে আমাদের কিছু প্রক্রিয়া রাখতে হবে। সেই জন্য সুলভ মূল্যে ডিম, দুধ, মুরগি ও গরুর মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। এটা ভুর্তুকির বিষয় না। আসল খরচে আমরা করছি। এছাড়াও রোজার মাসে মাছের চেয়ে মাংসের চাহিদা বেশি থাকে। সে কারনে মাছ রাখা হয়নি। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের কষ্ট আছে। আমরা দ্রব্যমূল্য নানাভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। আমরা মনে করি শুধু শাস্তি দিয়ে বা অভিযান চালিয়ে এ ধরনের নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, আমরা উদ্যোগ নিয়ে করতে পারি, সেটাও প্রমাণ হলো।
শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলে জেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বাজারের যে চাহিদা, এটা কোনভাবে সব চাহিদা পূরণ করা সম্ভব না। কিন্তু আমরা এটা করতে পারি, যে জরুরি প্রয়োজনীয় ডিম, দুধ, মাংসসহ যে গুলো রমজান মাসে বেশি চাহিদা থাকে। সে গুলো যদি আমরা দামে বিক্রি করে দেখাতে পারি তাহলে ব্যবসায়ীদের একটা ম্যাসেজ চলে যাবে।
শিক্ষার্থীদের নতুন সংগঠনের বিষয়ে বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা অংশ নিয়েছিলো, যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলো তাদের অবদানও তো আমাদের স্বীকার করতেই হবে। তারা একটা নতুন বাংলাদেশ দিয়েছে। রাজনৈতিক যে পরিস্থিতি, তাতে নতুন চিন্তা, নতুন ধারণা আসুক। তাদের যদি কোন ভুলভ্রান্তি থাকে সেটা দেখা যাবে। এই দল করা এটা ভুল কিছু না। এটা আগামী নির্বাচনের আগে একটা নতুন মাত্রা যোগ করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল্যাহ আল মামুন, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল রানা, জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, সপ্তাহে এক দিন ৬৫০ টাকা দরে ১০০ কেজি করে গরুর মাংস বিক্রি করা হবে। এছাড়াও পাঁচ দিন ৮০ টাকা লিটার দুধ, ১১৪ টাকা ডজন ডিম, ২৫০ টাকা কেজি ড্রেসিং করা ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করা হবে।
এম.কন্ঠ/ ০২ মার্চ /এম.টি



















