ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
কোটা বাতিলের দাবিতে টাঙ্গাইলে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ টাঙ্গাইলে যুবকদের স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো নির্মাণ টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ভূঞাপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষিকাকে কু-প্রস্তাব ও যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্তের প্রতিবাদে ভূঞাপুরে সংবাদ সম্মেলন মাদক না ছাড়লে টাঙ্গাইল ছাড়ার হুশিয়ারি এসপির টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল (বালক অনুর্ধ্ব-১৭) টুর্নামেন্টে পোড়াবাড়ি চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে বদলি জনিত বিদায় সংবর্ধনা বাসাইলে নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ-ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ শীর্ষক কর্মশালা টাঙ্গাইলে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষ মেলা শুরু

ভূঞাপুরে গৃহবধূ মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনের দাবীতে মানববন্ধন

ভূঞাপুর প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ০২:৩০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় গৃহবধু প্রমিতি গোস্বামী পুজার মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে মানববন্ধন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি স্মরণ দত্ত, সাবেক শিক্ষক কালিপদ দে সরকার, নিহত পূজা গোস্বামীর বাবাা সত্যরঞ্জন গোস্বামী পিন্টু প্রমুখ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৭ নভেম্বর হিন্দু ধর্মরীতি অনুযায়ী বিবাহ হয় জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার চাপারকোনা গ্রামের শিবনাথ কাঞ্জি লালের ছেলে পলাশ কাঞ্জি লালের সাথে। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই যৌতুকের কারণে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। পরে তার পরিবার পলাশকে ৩ লাখ টাকা দেয়া হয়। পরে পূজার গর্ভবতি হলে হওয়ার পর সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অপারেশনের পরে বিষাক্ত কোন ইনজেকশন দিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন নিহতের বাবা। পরে পূজাকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল, ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। পরে পূজার শারিরীক অবস্থা আরো অবনতি হলে ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল খুলনা বাগেরহাটের চিতলমারি থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পূজাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা সত্যরঞ্জন গোস্বামী বাদী হয়ে পূজার স্বামী পলাশ কাঞ্জিলাল, পিতা শিবনাথ কাঞ্জিলাল সহ পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছি। পরে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবিতে) প্রেরণ করা হয়। এই ঘটনায় ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আবু সিদ্দীক ঘটনার সততা পাওয়া যায়নি বলে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে পুনঃতদন্ত চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আমার মেয়েকে কৌশলে হত্যা করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পরও টাঙ্গাইলেই আসামী সরকারি চাকরি করছে।

 

এম.কন্ঠ/ ২১ এপ্রিল/এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

ভূঞাপুরে গৃহবধূ মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনের দাবীতে মানববন্ধন

প্রকাশ: ০২:৩০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় গৃহবধু প্রমিতি গোস্বামী পুজার মৃত্যু রহস্য উদঘাটনের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে মানববন্ধন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি স্মরণ দত্ত, সাবেক শিক্ষক কালিপদ দে সরকার, নিহত পূজা গোস্বামীর বাবাা সত্যরঞ্জন গোস্বামী পিন্টু প্রমুখ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৭ নভেম্বর হিন্দু ধর্মরীতি অনুযায়ী বিবাহ হয় জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার চাপারকোনা গ্রামের শিবনাথ কাঞ্জি লালের ছেলে পলাশ কাঞ্জি লালের সাথে। বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই যৌতুকের কারণে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। পরে তার পরিবার পলাশকে ৩ লাখ টাকা দেয়া হয়। পরে পূজার গর্ভবতি হলে হওয়ার পর সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অপারেশনের পরে বিষাক্ত কোন ইনজেকশন দিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন নিহতের বাবা। পরে পূজাকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল, ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। পরে পূজার শারিরীক অবস্থা আরো অবনতি হলে ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল খুলনা বাগেরহাটের চিতলমারি থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পূজাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বাবা সত্যরঞ্জন গোস্বামী বাদী হয়ে পূজার স্বামী পলাশ কাঞ্জিলাল, পিতা শিবনাথ কাঞ্জিলাল সহ পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছি। পরে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবিতে) প্রেরণ করা হয়। এই ঘটনায় ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আবু সিদ্দীক ঘটনার সততা পাওয়া যায়নি বলে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরে পুনঃতদন্ত চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আমার মেয়েকে কৌশলে হত্যা করা হয়েছে। মামলা হওয়ার পরও টাঙ্গাইলেই আসামী সরকারি চাকরি করছে।

 

এম.কন্ঠ/ ২১ এপ্রিল/এম.টি