ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
কালিহাতীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে জেন্ডার সমতা ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নাগরিক সংলাপ টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা কালিহাতীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বাসাইলে ৩ দোকানে অগ্নিকান্ড, ক্ষয়ক্ষতি ৯ লাখ টাকা ঘাটাইলে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ-শিক্ষা মন্ত্রী টাঙ্গাইলে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার-প্রতিমন্ত্রী টুকু পার্ক বাজার নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন রুবেল

টাঙ্গাইলে হুগড়া ইউনিয়নে প্রশাসনিক কর্মকর্তা যোগদান না করায় ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৮:১৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নে অফিস আদেশের এক সপ্তাহ পরও প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডি, এম শরিফুল ইসলাম যোগদান না করায় জনসাধারণের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভোগান্তি লাঘবে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।

জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকারের সহকারী কমিশনার মো. রাফিউল ইসলাম গত ২৯ মার্চ সদর, মির্জাপুর ও বাসাইল উপজেলার চার প্রশাসনিক কর্মকর্তার বদলির আদেশ দেন। সেখানে হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ছানোয়ার হোসেনকে মির্জাপুরের বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের ও বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডিএম শরিফুল ইসলামকে বদলি করা হয়। অফিস আদেশে ১ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করতে বলা হয়।

এ দিকে এক সপ্তাহ পার হলেও ডিএম শরিফুল ইসলাম ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করেনি। তিনি মির্জাপুরের বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালন করছেন।

বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র বলছে, প্রকল্প পাইয়ে দেয়ার কথা বলে এক নারী ইউপি সদস্যের কাছ থেকে এক লাখ ৫১ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। সেই প্রকল্প পায়নি বলে ডি, এম শরিফুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছাড়ছে না।

হুগড়া গ্রামের মো. ফারুক ও সুজাউদ্দিন বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ যাবত ইউনিয়ন পরিষদে কোন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নেই। এতে নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে যারা জন্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু সনদ করতে আসেন, তারা বেশি বিপাকে পড়েছে। কারণ এসব কাজে ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়। এই ভোগান্তি লাঘবে জেলা প্রশাসনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করি।

ডিএম শরিফুল ইসলাম বলেন, বাঁশতৈলের চেয়ারম্যান আমাকে না ছাড়ার কারনে আমি হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করিনি। আমি কারো কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নেইনি।

হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর-এ-আলম তুহিন বলেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা না থাকায় নাগরিক সেবাসহ বিভিন্ন কাজে বিঘ্নতা সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় সরকারের সহকারী কমিশনার মো. রাফিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে পরবর্তী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

এম.কন্ঠ/ ০৮ এপ্রিল /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে হুগড়া ইউনিয়নে প্রশাসনিক কর্মকর্তা যোগদান না করায় ভোগান্তি

প্রকাশ: ০৮:১৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নে অফিস আদেশের এক সপ্তাহ পরও প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডি, এম শরিফুল ইসলাম যোগদান না করায় জনসাধারণের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভোগান্তি লাঘবে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।

জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকারের সহকারী কমিশনার মো. রাফিউল ইসলাম গত ২৯ মার্চ সদর, মির্জাপুর ও বাসাইল উপজেলার চার প্রশাসনিক কর্মকর্তার বদলির আদেশ দেন। সেখানে হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ছানোয়ার হোসেনকে মির্জাপুরের বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের ও বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডিএম শরিফুল ইসলামকে বদলি করা হয়। অফিস আদেশে ১ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করতে বলা হয়।

এ দিকে এক সপ্তাহ পার হলেও ডিএম শরিফুল ইসলাম ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করেনি। তিনি মির্জাপুরের বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালন করছেন।

বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র বলছে, প্রকল্প পাইয়ে দেয়ার কথা বলে এক নারী ইউপি সদস্যের কাছ থেকে এক লাখ ৫১ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। সেই প্রকল্প পায়নি বলে ডি, এম শরিফুল ইসলামকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছাড়ছে না।

হুগড়া গ্রামের মো. ফারুক ও সুজাউদ্দিন বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ যাবত ইউনিয়ন পরিষদে কোন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নেই। এতে নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে যারা জন্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু সনদ করতে আসেন, তারা বেশি বিপাকে পড়েছে। কারণ এসব কাজে ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়। এই ভোগান্তি লাঘবে জেলা প্রশাসনসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করি।

ডিএম শরিফুল ইসলাম বলেন, বাঁশতৈলের চেয়ারম্যান আমাকে না ছাড়ার কারনে আমি হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদে যোগদান করিনি। আমি কারো কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নেইনি।

হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর-এ-আলম তুহিন বলেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা না থাকায় নাগরিক সেবাসহ বিভিন্ন কাজে বিঘ্নতা সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় সরকারের সহকারী কমিশনার মো. রাফিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে পরবর্তী প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

এম.কন্ঠ/ ০৮ এপ্রিল /এম. টি