নারীদের অংশ গ্রহণ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা হতে পারে না…আফরোজা আব্বাস
জাতীয়তাবাদী মহিলাদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেছেন, জিয়াউর রহমান বলেছিলেন এদেশের অর্ধেক জনগোষ্টি নারী সমাজ। সেই নারী সমাজকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্র কখনই চলতে পারে না। ১৯৭৮ সালে জাতীয়তাবাদী মহিলাদল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সমতা দিয়েই সমতা রক্ষা করতে হবে। সেই রাষ্ট্রপতি যার সময় আমরা রান্না করতাম সংসার সামলাতাম আর অলস দুপুর পার করতাম। সেই নারী সমাজকে জাগিয়ে তুলেছিলেন আমাদের সেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বলেছিলেন নারীরা জেগে উঠুন। আপনারা নারীরা, মায়েরা, বোনেরা উঠুন আপনারা সংসারের পাশাপাশি রাষ্ট্রের ক্ষমতায় অংশগ্রহণের জন্য হাত দিন। আপনাদের অংশ গ্রহণ ছাড়া কখনই রাষ্ট্র পরিচালনা হতে পারে না।
রোববার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে মহিলাদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি প্রথম নির্বাচনে ৫ টি আসনেই জয়লাভ করেছিলেন। তিনি কোন নির্বাচনেই পরাজিত হন নাই। সেই সাংগঠনিক মাতা বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করছি। তিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত হলেন ঠিক তার পরের দিন থেকেই মহসী নারীদের স্বসম্মানে ঘোষিত করা জন্য বেগম রোকেয়া স্বারক প্রধান করেছিলেন। কে এই বেগম রোকেয়া? এ সেই রোকেয়া, যে রোকেয়া বলেছিলেন যে মা বোনেরা এ সমাজের অর্ধেক নারী, সেই নারীরা আমরাই যদি ঘুমাইয়া থাকি তাহলে সমাজ জাগিবে কি করে। সেই নারী সমাজকে জাগ্রত করেছিলেন। সেই রোকেয়া স্বারক শুরু করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।
আফরোজা আব্বাস বলেন, আমাদের নেত্রী এই ১৭ বছর যুদ্ধ করেছেন শুধু মানুষকে ভালোবেসে। তিনি জনগনকে রেখে বিদেশে চলে যাননি। তিনি চাইলেই চলে যেতে পারতেন। তিনি আরাম আয়েশেই দিন কাটিয়ে পারতেন স্বৈরাচারী হাছিনা যেটা করেছে। তিনি বলেছেন এ এদেশই আমার ঠিকানা, এদেশের জনগনই আমার সন্তান। তিনি পায়ে হেঁটে জেলে গিয়েছেন আর হুইল চেয়ারে করে জেল থেকে বের হয়েছেন। তিনি স্বামীকে হারিয়েছেন, সন্তানকে হারিয়েছেন। যার কাছে আমরা ঋণ হয়ে আছি। এবার তাকে আমাদের দেওয়ার পালা।
তিনি আরও বলেন, আমরা শেখ হাছিনার মতন নারীদের ক্ষমতায়ন চাই না। যে নারীর নির্দেশে আরেক নারী ধর্ষণ হয়েছে। যেখানে পারুল বেগম গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। শুধুমাত্র ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য। এটাই হলো তার অপরাধ। শিশু বাচ্চা থেকে বয়স্ক মহিলারাও শেখ হাছিনার আমলে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আমরা চাই বেগম খালেদা জিয়ার মতন নারী ক্ষমতায়ন।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান। জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রক্সি মেহেদী। আলোচনায় সভায় পাঁচ শতাধিক নারী নেতৃ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এম.কন্ঠ/ ২১ সেপ্টেম্বর /এম. টি

























