হাসিনাকে পালিয়ে যেতে আমরা বাধ্য করেছি….সাইফুল হক
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, এত বড় অভ্যুত্থান পৃথিবীর আর কোন দেশে নজর নেই। ঘর থেকে বাইরে দেশে এদেশের বৃদ্ধ পিতা মাতারা রাস্তায় নেমে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। মানুষ গুলো জীবন দিতে রাস্তায় এসেছে, তাদের পরাজিত করার শক্তি কারো নেই। হাসিনার ১৬ বছরের জুলুমের বিরুদ্ধে লড়েছি। সব শেষ হাসিনাকে আমরা পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছি।
তিনি পালিয়ে যাওয়ার কিছুদিন আগে বলেছিলেন হাসিনা পালায় না। ছাত্র শ্রমিক জনতার গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে নেতৃবৃন্দ ও জুলাই যোদ্ধাদের অংশ গ্রহণে ফিরে দেখা রক্তঝরা জুলাই আগষ্ট প্রত্যাশা আর প্রাপ্তি শীর্ষক কথকতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, হাসিনা দিনের আলোতে লাখ লাখ নেতাকর্মীকে বিপদে ফেলে পালিয়েছে। ১০০ বছর আগে লক্ষণ সেন এভাবে পালিয়েছিলো। হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার পর মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা, বায়তুল মোকারম মসজিদে খতিব ও ইমাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসিসহ অনেক বড় বড় নেতা পালিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার বলছেন, তার মব সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ করছে। আমরা সকল রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থন দেওয়ার পরও তিনি নির্বাচন দিতে পারছেন না। আমরা নয় মাসে দেশ স্বাধীন করলেও তিনি এক বছরেও নির্বাচন দিতে পারলেন না। আমরা ধৈর্য্য ধরেছি একটি পরিবর্তনের জন্য।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশীখা জামালী, আকবর খান, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজাদ খান ভাসানী, ক্রীড়া সংগঠক আলী ইমাম তপন, জেলা ভাসানী যুবশক্তি পার্টির সভাপতি খোরশেদ আলম, বিপ্লবী যুব মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম অনল, জেলা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পিপলু।
জেলা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি সাইফুর রেজা মামুনের সভাপতিত্বে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এম.কন্ঠ/ ১৬ অগাস্ট /এম. টি






















