ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ভূঞাপুর বাজার উন্নয়ন সমবায় মার্কেটিং সোসাইটি লিঃ এডহক কমিটি ঘাটাইলে গুড নেইবারসের উদ্যোগে বিজ্ঞান মেলা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবলে টাঙ্গাইল সদর সেমিফাইনালে টাঙ্গাইলে পৃথক হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড শহীদ মিজানুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে অন্তঃ ফুটবল খেলা শুরু টাঙ্গাইলে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন গোপালপুরে যমুনার ভাঙনে বিলীন ৬০ ফুট সড়ক, তৃতীয় দিনেও যান চলাচল বন্ধ   বাসাইলে অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস কালিহাতীতে মানসিক ভারসাম্যহীনকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধকে থানায় সোপর্দ ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কে ধ্বস, যানচলাচল বন্ধ

টাঙ্গাইলে পৃথক হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড

জিনিয়া বখশ্ :
প্রকাশ: ০১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

টাঙ্গাইলে পৃথক দুটি হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দুই আদালত। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান ভূঞাপুর উপজেলার মেহেদী মোস্তফা হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

অপরদিকে স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা দেলদুয়ার উপজেলার চাঞ্চল্যকর হাজেরা বেওয়া ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

ভূঞাপুরের মেহেদী মোস্তফা হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম নাজিরুল ইসলাম ওরফে জিহাদ (২৮)। তিনি উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।

দেলদুয়ার উপজেলার মা-মেয়ে হত্যা মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তির নাম সোহরাব হোসেন। তিনি উপজেলার বর্ণী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ছানোয়ার হোসেন ও তার ছেলে মো. রনিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে মেহেদী মোস্তফা ওরফে রাজীবকে ২০২০ সালের ১৮ জুন দণ্ডিত নাজিরুল ছুরিকাঘাত করে। পরে গুরুত্বর আহত মেহেদী মোস্তফা ওইদিনই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

পিপি আরো জানান, এ ঘটনায় তার বাবা গোলাম মোস্তফা বাদি হয়ে ভূঞাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দণ্ডিত নাজিরুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর তিনি হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক এনামুল হক চৌধুরী আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। দণ্ডিত ব্যক্তিতে আদালত ১ লাখ টাকা জরিমানাও করেছেন।

অপরদিকে স্পেশাল জজ আদালতের সরকারি কৌশুলি শাহজাহান কবির জানান, ২০১১ সালের ৫ মে দেলদুয়ার উপজেলার বর্ণী দক্ষিণ পাড়া গ্রামের হাজেরা বেগম (৬০) ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার (২২) রাতের খাবার খেয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোরে বাড়িব লোকজন তাদের ঘরে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে পাট ক্ষেতের মধ্যে হাজেরা বেগম ও নাসরিনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

তিনি আরো জানান, এই ঘটনায় নিহত হাজেরা বেগমের ছেলে মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক জামাল মিয়া আদালতে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এম.কন্ঠ/ ২২ জুলাই /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে পৃথক হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ০১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

টাঙ্গাইলে পৃথক দুটি হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দুই আদালত। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান ভূঞাপুর উপজেলার মেহেদী মোস্তফা হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

অপরদিকে স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা দেলদুয়ার উপজেলার চাঞ্চল্যকর হাজেরা বেওয়া ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

ভূঞাপুরের মেহেদী মোস্তফা হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম নাজিরুল ইসলাম ওরফে জিহাদ (২৮)। তিনি উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।

দেলদুয়ার উপজেলার মা-মেয়ে হত্যা মামলায় দণ্ডিত ব্যক্তির নাম সোহরাব হোসেন। তিনি উপজেলার বর্ণী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ছানোয়ার হোসেন ও তার ছেলে মো. রনিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে মেহেদী মোস্তফা ওরফে রাজীবকে ২০২০ সালের ১৮ জুন দণ্ডিত নাজিরুল ছুরিকাঘাত করে। পরে গুরুত্বর আহত মেহেদী মোস্তফা ওইদিনই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

পিপি আরো জানান, এ ঘটনায় তার বাবা গোলাম মোস্তফা বাদি হয়ে ভূঞাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দণ্ডিত নাজিরুলকে পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর তিনি হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক এনামুল হক চৌধুরী আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। দণ্ডিত ব্যক্তিতে আদালত ১ লাখ টাকা জরিমানাও করেছেন।

অপরদিকে স্পেশাল জজ আদালতের সরকারি কৌশুলি শাহজাহান কবির জানান, ২০১১ সালের ৫ মে দেলদুয়ার উপজেলার বর্ণী দক্ষিণ পাড়া গ্রামের হাজেরা বেগম (৬০) ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার (২২) রাতের খাবার খেয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোরে বাড়িব লোকজন তাদের ঘরে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে আনুমানিক ২০০ গজ দূরে পাট ক্ষেতের মধ্যে হাজেরা বেগম ও নাসরিনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

তিনি আরো জানান, এই ঘটনায় নিহত হাজেরা বেগমের ছেলে মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক জামাল মিয়া আদালতে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এম.কন্ঠ/ ২২ জুলাই /এম. টি