ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সখীপুরে অটোভ্যানে চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু বাসাইলে মানবিক আহার কেন্দ্রের এক বছর পূর্তিতে দরিদ্রদের নিয়ে গণভোজ রোগীর সুস্থতার সঙ্গে চাই পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌরসভার অভিযান অনূর্ধ্ব-১৪ নারী ফুটবলারদের টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি উপহার দিলেন:প্রতিমন্ত্রী টুকু খালেদা জিয়ার জন্মদিনে টাঙ্গাইলে বিএনপির দোয়া মাহফিল টাঙ্গাইলে স্পন্দনের উদ্যোগে গণিত বিষয়ে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনের নারী পুলিশ হেফাজতে গোপালপুরে দুই পুকুরের মাঝে স্কুল ভবনে ফাটল, ঝুঁকিতে শিশুরা কালিহাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, আড়াই লাখ টাকা জরিমানা কালিহাতীতে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম,পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না

প্রভাবশালী ব্যক্তির হাত থেকে জবরদখলকৃত ভূমি উদ্ধারে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

প্রভাবশালী ব্যক্তির হাত থেকে জবরদখলকৃত ভূমি উদ্ধারে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়াম কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করলেন ভূক্তভোগী ব্রেন স্টোক করে প্যারালাইসড হওয়া মোঃ নুরুল ইসলাম নুরুর স্ত্রী মিনা আক্তার।

শনিবার (২০ জন) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মীরের বেতকা এলাকার মিনা আক্তার জানান, বিশ্বাস বেতকার মধ্যে ৬৫ শতাংশ ভূমি এস. এ মালিক বিরেন্দ্রনাথ চৌধুরী মারা গেলে তার ছেলে কল্যাণ সংকর চৌধুরী নিকট হতে ত্যাক্ত সম্পত্তির ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। সেখানে একখানা টিনের ছাপড়া ঘর তৈরী করে তার হোল্ডিং নাম্বারসহ পৌর কর এবং বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসা অবস্থায় বি.এস.রেকর্ডে আগত হইলে ১৪২৩নং খতিয়ান রুপে খাজনাদী পরিশোধ করেন। এমতাবস্থায় ৫৫ শতাংশ ভূমির অন্য ক্রেতা সোহরাব হোসেন ১৯৯৭-১৯৯৮ সনে কথিত দলিল মূলে ৪৩ শতাংশ ভূমি দাবী করে তার স্বামী নরুল ইসলাম নুরুকে মারধর করে উচ্ছেদ করে তার ১০ শতাংশ ভূমি জবরদখল করেন এবং ওই জমিটি দখল করার জন্য মো. নুরুল ইসলাম নুরুর দলিলটি জাল প্রমাণ করার জন্য এবং তা বাতিলে জন্য মামলা করেন। যা দীর্ঘ ৯ বৎসর চলার পর নুরুল ইসলাম নুরুর দলিল বৈধ হিসেবে রায় পান।

তারপরও এই রায়কে পাত্তা না দিয়ে সোহরাব হোসেন ১০ শতাংশ জমি দখলের জন্য উক্ত ভূমিতে কোন প্রকার আলাপ আলোচনা ছাড়াই বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য প্যাড়াডাইস নিবাস কর্তৃপক্ষের সাথে চুক্তিপূর্বক অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ শুরু করেছেন। যা অন্যায় ও অনৈত্রিক।

তার স্বামী নুরুল ইসলাম নুরু দীর্ঘদিন যাবত একজন প্যারালাইড রুগী। তার সুচিকিৎসা বা ঔষধ ক্রয়ের মত আর্থিক সামর্থ নাই। এ অবস্থায় তিনি জনগনের সেবক সাংবাদিকদের দারস্থ হয়েছেন।

তিনি আরো জানান, ১১৪/২০১৭ অন্য প্রকার মামলায় আদালত ২৯/১০/২০২৫ তারিখে আদেশে সু-স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন একই ভূমি নিয়ে একাধিক দলিল থাকিলে পূর্বের দলিলটি প্রাধাণ্য পাবে।

তিনি জানান, সোহরাব হোসেন একজন চতুর ও প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ভীত ও শংকিত। কারন যে কোন সময় তারা তাদের ক্ষতি করতে পারে। তিনি প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা চান তার জমিটি যেন বেদখল না হয়।

 

এম.কন্ঠ/ ২০ জুন /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রভাবশালী ব্যক্তির হাত থেকে জবরদখলকৃত ভূমি উদ্ধারে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: ০১:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

প্রভাবশালী ব্যক্তির হাত থেকে জবরদখলকৃত ভূমি উদ্ধারে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়াম কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করলেন ভূক্তভোগী ব্রেন স্টোক করে প্যারালাইসড হওয়া মোঃ নুরুল ইসলাম নুরুর স্ত্রী মিনা আক্তার।

শনিবার (২০ জন) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মীরের বেতকা এলাকার মিনা আক্তার জানান, বিশ্বাস বেতকার মধ্যে ৬৫ শতাংশ ভূমি এস. এ মালিক বিরেন্দ্রনাথ চৌধুরী মারা গেলে তার ছেলে কল্যাণ সংকর চৌধুরী নিকট হতে ত্যাক্ত সম্পত্তির ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। সেখানে একখানা টিনের ছাপড়া ঘর তৈরী করে তার হোল্ডিং নাম্বারসহ পৌর কর এবং বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসা অবস্থায় বি.এস.রেকর্ডে আগত হইলে ১৪২৩নং খতিয়ান রুপে খাজনাদী পরিশোধ করেন। এমতাবস্থায় ৫৫ শতাংশ ভূমির অন্য ক্রেতা সোহরাব হোসেন ১৯৯৭-১৯৯৮ সনে কথিত দলিল মূলে ৪৩ শতাংশ ভূমি দাবী করে তার স্বামী নরুল ইসলাম নুরুকে মারধর করে উচ্ছেদ করে তার ১০ শতাংশ ভূমি জবরদখল করেন এবং ওই জমিটি দখল করার জন্য মো. নুরুল ইসলাম নুরুর দলিলটি জাল প্রমাণ করার জন্য এবং তা বাতিলে জন্য মামলা করেন। যা দীর্ঘ ৯ বৎসর চলার পর নুরুল ইসলাম নুরুর দলিল বৈধ হিসেবে রায় পান।

তারপরও এই রায়কে পাত্তা না দিয়ে সোহরাব হোসেন ১০ শতাংশ জমি দখলের জন্য উক্ত ভূমিতে কোন প্রকার আলাপ আলোচনা ছাড়াই বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য প্যাড়াডাইস নিবাস কর্তৃপক্ষের সাথে চুক্তিপূর্বক অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ শুরু করেছেন। যা অন্যায় ও অনৈত্রিক।

তার স্বামী নুরুল ইসলাম নুরু দীর্ঘদিন যাবত একজন প্যারালাইড রুগী। তার সুচিকিৎসা বা ঔষধ ক্রয়ের মত আর্থিক সামর্থ নাই। এ অবস্থায় তিনি জনগনের সেবক সাংবাদিকদের দারস্থ হয়েছেন।

তিনি আরো জানান, ১১৪/২০১৭ অন্য প্রকার মামলায় আদালত ২৯/১০/২০২৫ তারিখে আদেশে সু-স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন একই ভূমি নিয়ে একাধিক দলিল থাকিলে পূর্বের দলিলটি প্রাধাণ্য পাবে।

তিনি জানান, সোহরাব হোসেন একজন চতুর ও প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ভীত ও শংকিত। কারন যে কোন সময় তারা তাদের ক্ষতি করতে পারে। তিনি প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা চান তার জমিটি যেন বেদখল না হয়।

 

এম.কন্ঠ/ ২০ জুন /এম. টি