ওএমএস’র কেন্দ্রে কালোবাজারী ও অনিয়ম ঠেকাতে খাদ্য কর্মকর্তারা তৎপর
টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় ওএমএস’র বিক্রয় কেন্দ্রে কালোবাজারী ও অনিয়ম ঠেকাতে খাদ্য কর্মকর্তারা তৎপর হয়ে উঠেছেন। খাদ্য কর্মকর্তারা প্রতিদিনই ওএমএস’র বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন। এছাড়াও প্রতিটি কেন্দ্রে ১-২জন করে তদারকি কর্মকর্তা রয়েছেন।
রোববার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম ভ‚ঞা দিঘুলীয়া, মেছের মার্কেট, মিল্কভিটা, হাউজিংসহ কয়েকটি বিক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি ডিলার ও ক্রেতাদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন এবং খোজ খবর নেন। টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় ওএমএস’র ২০ টি বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে।
প্রতিদিন কেন্দ্র গুলোতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চাল-আটা কিন্তে নারী-পুরুষের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ করা যায়। তবে এর মধ্যে বেশির ভাগ কেন্দ্রে নারীদের ভিড়। ওএমএস কেন্দ্রে গুলোতে জন প্রতি ১২০ টাকায় ৫ কেজি আটা ও ৫ কেজি চাল ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। ওএমএস কেন্দ্রে চাল-আটা কিনতে ক্রেতাদের ভিড় দিন দিন বেড়েই চলছে। সোমবার সকাল ১১ টায় দিঘুলীয়া ওএমএস’র বিক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় নারী-পুরুষের দীর্ঘ লাইন। এখানে নরীদের সংখ্যা বেশি রয়েছে।
আটা ও চাল নিতে আসা ক্রেতা ঝর্ণা বেগম জানান, বাহিরে বাজারে আটা ও চালের দাম অনেক বেশি থাকায় এখানে কম দামে আটা ও চাল কিনতে এসেছি।
ওপর ক্রেতা আঃ রহিম জানান, আমি একজন ভ্যান চালক। বর্তমানে প্রতিদিন যে উপারজন করি তাতে আমার সংসার চালানো কঠিন হয়ে উঠে। তাই আমি মাঝে মধ্যেই এখান থেকে আটা ও চাল কিনতে আসি।
এম.কন্ঠ/ ০৬ অক্টোবর /এম. টি






















