দুই দিনেও আসামী শনাক্ত ও গ্রেপ্তার হয়নি
টাঙ্গাইলে বিএনপি নেতার স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা
টাঙ্গাইল সদরের মগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম আনিছুর রহমানকে না পেয়ে তার স্ত্রী লিলি বেগমকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হলেও দুই দিনেও কোন আসামী শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এর আগে মঙ্গলবার রাতেই এসএম আনিসুর রহমান নিজেই বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা করা হয়। এ ঘটনায় ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কুইজবাড়ী বাজারের কাছে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান উত্তমের বাড়ির পাশেই নিজেদের লিওন বেকারি নামে বিস্কিটের ফ্যাক্টরি রয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় নামাজ শেষ করে উত্তম ফ্যাক্টরিতে যেতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উত্তমের ফ্যাক্টরিতে যেতে দেরি হওয়ায় তার স্ত্রী লিলি আক্তার সেখানে যান। এসময় ওৎ পেতে থাকা মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে লিলিকে কোপাতে থাকে। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রেখেছে পুলিশ।
বুধবার বিকেলে কুইজবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। জানাযায় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামান শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবালসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল বলেন, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে জানা যায়নি। আমরা এ ঘটনায় শোকাহত। জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও প্রশাসনের ব্যর্থতার কারনে বিএনপি নেতার স্ত্রী খুন হয়েছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। এ ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ বলেন, মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করা ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ময়না তদন্ত শেষে বুধবার দুপুরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এম.কন্ঠ/ ১৮ সেপ্টেম্বর /এম. টি






















