ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সেতু’র নির্বাহী পরিচালক প্রয়াত মির্জা সাহাদত হোসেনের জন্মদিন পালিত শতবর্ষ পেরিয়েও প্রাসঙ্গিক “সুলতানা স্বপ্ন”: টাঙ্গাইলে পাঠ প্রতিক্রিয়া ও বই বিতরণ উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন  সাংবাদিক শেখর এর মায়ে’র পরলোকগমন ঘাটাইলে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা টাঙ্গাইলে ছাত্রদলনেতা রউফ এর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কালিহাতীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে জেন্ডার সমতা ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নাগরিক সংলাপ টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা কালিহাতীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

টাঙ্গাইলে গ্রাম্য রাস্তা নিয়ে বিরোধ এবং ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যার চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৩:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বড় বাসালিয়ায় রাস্তা নিয়ে বিরোধ ও শত্রুতায় তৃতীয়পক্ষ ভুমিদস্যু ও দ্ইু লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী এবং এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিনতাই ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যার হুমকিসহ মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে টাঙ্গাইল সদরের ১নং মগড়া ইউনিয়নের বড় বাসালিয়া ৪নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ফরিদা ইয়াসমিন (৫৯) সদর উপজেলার বড় বাসালিয়া এলাকার (অবঃ) সেনা কর্মকর্তা শামছুল হকের স্ত্রী। তিনি বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাপাতালে বর্তি রয়েছে।

মামলার সুত্রে জানাযায়, রাস্তাকে কেন্দ্র করিয়া বিবাদ তৈরী হলে ভুমিদস্যু সরোয়ার হোসেন (৪২) ও ওয়াজেদ আলী (৫২) প্রথমে ভুক্তভোগী শামসুল হকের ছেলে ফেরদৌস রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং এক পর্যায়ে ফেরদৌস রহমানের মাতা ফরিদা ইয়াসমীনকে কাঠের দন্ড, রড এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করে এবং তার গলা চিপে তার মৃত্যুর চেষ্টা করে। এসময় স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়। বর্তমানে ফরিদা ইয়াসমীন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ফরিদা ইয়াসমীনের ছেলে ফেরদৌস রহমান বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগে ফেরদৌস রহমান বলেন, বড় বাসালিয়ার একই গ্রামের বাসিন্দা মো. সরোয়ার হোসেন ও ওয়াজেদ আলী দুই ভাই। আমাদের শয়-শরিকদের রাস্তা নিয়ে নিয়ে বিরোধ ও শত্রুতা চালিয়া আসিতেছে। এই শত্রুতার জের ধরে তারা আমার পরিবারের নিকট দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে হুমকি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছে।

ঘটনার দিন আমাদের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় বিকেল ৩টায় ৯৯৯ ফোন দিয়ে আইনী সহায়তা চাইলে উক্ত তারিখেই বিবাদীগন খিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লোহার রড, কাঠের লাঠিসহ ঘটনাস্থল আমাদের বসত বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া আমার মা ফরিদা ইয়াসমীন এবং আমার বাবা কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। আমার মা বিবাদীগণকে গালিগালাজের জবাব দিতেই বিবাদীদ্বয় সরোয়ার ও ওয়াজেদ আলী আমার মাকে এলোপাথারি ভাবে মারতে থাকে।

এবং এক পর্যায়ে আমার মা গলা চেপে স্বর্ণের চেইনটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। যার দাম এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা আনুমানিক। মায়ের গায়ে বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। এসময় কান্না কাটি শুনে আশে পাশের প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসে। পরে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এরপর আমার মা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে আমার মাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই। এখনও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বিবাদীদ্বয় এই ঘটনার পরও হুমকি দিয়ে আসছে। বড় ধরনের ক্ষতি করবে বলে জানান দিচ্ছে। আমরা আইনের সহযোগিতা চাই। এর সঠিক বিচার চাই এবং দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

এম.কন্ঠ/  ২১ এপ্রিল  /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে গ্রাম্য রাস্তা নিয়ে বিরোধ এবং ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যার চেষ্টা

প্রকাশ: ০৩:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বড় বাসালিয়ায় রাস্তা নিয়ে বিরোধ ও শত্রুতায় তৃতীয়পক্ষ ভুমিদস্যু ও দ্ইু লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী এবং এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিনতাই ফরিদা ইয়াসমিনকে হত্যার হুমকিসহ মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে টাঙ্গাইল সদরের ১নং মগড়া ইউনিয়নের বড় বাসালিয়া ৪নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ফরিদা ইয়াসমিন (৫৯) সদর উপজেলার বড় বাসালিয়া এলাকার (অবঃ) সেনা কর্মকর্তা শামছুল হকের স্ত্রী। তিনি বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাপাতালে বর্তি রয়েছে।

মামলার সুত্রে জানাযায়, রাস্তাকে কেন্দ্র করিয়া বিবাদ তৈরী হলে ভুমিদস্যু সরোয়ার হোসেন (৪২) ও ওয়াজেদ আলী (৫২) প্রথমে ভুক্তভোগী শামসুল হকের ছেলে ফেরদৌস রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং এক পর্যায়ে ফেরদৌস রহমানের মাতা ফরিদা ইয়াসমীনকে কাঠের দন্ড, রড এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করে এবং তার গলা চিপে তার মৃত্যুর চেষ্টা করে। এসময় স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়। বর্তমানে ফরিদা ইয়াসমীন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ফরিদা ইয়াসমীনের ছেলে ফেরদৌস রহমান বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ করেছেন।

লিখিত অভিযোগে ফেরদৌস রহমান বলেন, বড় বাসালিয়ার একই গ্রামের বাসিন্দা মো. সরোয়ার হোসেন ও ওয়াজেদ আলী দুই ভাই। আমাদের শয়-শরিকদের রাস্তা নিয়ে নিয়ে বিরোধ ও শত্রুতা চালিয়া আসিতেছে। এই শত্রুতার জের ধরে তারা আমার পরিবারের নিকট দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে হুমকি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছে।

ঘটনার দিন আমাদের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় বিকেল ৩টায় ৯৯৯ ফোন দিয়ে আইনী সহায়তা চাইলে উক্ত তারিখেই বিবাদীগন খিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লোহার রড, কাঠের লাঠিসহ ঘটনাস্থল আমাদের বসত বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া আমার মা ফরিদা ইয়াসমীন এবং আমার বাবা কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। আমার মা বিবাদীগণকে গালিগালাজের জবাব দিতেই বিবাদীদ্বয় সরোয়ার ও ওয়াজেদ আলী আমার মাকে এলোপাথারি ভাবে মারতে থাকে।

এবং এক পর্যায়ে আমার মা গলা চেপে স্বর্ণের চেইনটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। যার দাম এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা আনুমানিক। মায়ের গায়ে বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। এসময় কান্না কাটি শুনে আশে পাশের প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসে। পরে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এরপর আমার মা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে আমার মাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করাই। এখনও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। বিবাদীদ্বয় এই ঘটনার পরও হুমকি দিয়ে আসছে। বড় ধরনের ক্ষতি করবে বলে জানান দিচ্ছে। আমরা আইনের সহযোগিতা চাই। এর সঠিক বিচার চাই এবং দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

এম.কন্ঠ/  ২১ এপ্রিল  /এম.টি