ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
কালিহাতীতে ওভার ভোল্টেজে শতাধিক পরিবারের ক্ষতি টাঙ্গাইলে ধর্ষণের দায়ে ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টাঙ্গাইলে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন মির্জাপুরে নদীতে ভেসে উঠেছে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান ভাইস-চ্যান্সেলরের কালিহাতীতে হত দরিদ্রদের মাঝে বিনামূল্যে গাভী বিতরণ  টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার টাঙ্গাইলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের গণমিছিল দেশের অর্থনীতির চাকা বেগবান করতে প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করা হচ্ছে-প্রতিমন্ত্রী নাগরপুরে ছাত্রদল নেতাদের পুনর্মিলনী

টাঙ্গাইলে ধর্ষণের দায়ে ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জিনিয়া বখশ্ :
প্রকাশ: ০২:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

এক নারীকে ধর্ষনের দায়ে টাঙ্গাইলে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড সহ ১৫ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আ.ন.ম. ইলিয়াস মঙ্গলবার দুপুরে এই আদেশ দেন।

যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আঃ রহিম পিতা মৃত আঃ সামাদ, গ্রাম – কটারবাড়ী থানা জামালপুর সদর, জেলা জামালপুর, তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাস বিনাশ্রমে কারাদণ্ড উক্ত একই আইনে ৯ ( ৩) ধারায় দোষী সাবস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায় দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে। ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের মৃত মুকছেদ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (শফি) এবং ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সামছুল হক (সামছু)।

অন্য আসামী দুইজনকেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৯ (৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারী কৌশুলী (পিপি) ওমরাও খান (দীপু) জানান, জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ গ্রামের এক নারীকে দন্ডিতরা বিগত ২০২৩ সালের ২২ জুন টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা এলাকার ইয়াদ আলীর চালা নামক স্থানে বনের ভিতর একটি টং মেশিন ঘরে নিয়ে রাতভর ধর্ষন করে। পরে ওই নারী বাদি হয়ে ঘটনার চার দিন পর ২৬ জুন মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মধুপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তার আদালতে তিন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত বিগত ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় সাত জনের স্বাক্ষী গ্রহণ করা হয়।

রায় ঘোষনার পর তিন আসামীকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারী কৌশুলী (পিপি) ওমরাও খান দীপু। আসামী পক্ষে ছিলেন শাহান শাহ সিদ্দিকী।

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে ধর্ষণের দায়ে ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশ: ০২:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

এক নারীকে ধর্ষনের দায়ে টাঙ্গাইলে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড সহ ১৫ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আ.ন.ম. ইলিয়াস মঙ্গলবার দুপুরে এই আদেশ দেন।

যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আঃ রহিম পিতা মৃত আঃ সামাদ, গ্রাম – কটারবাড়ী থানা জামালপুর সদর, জেলা জামালপুর, তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৬ মাস বিনাশ্রমে কারাদণ্ড উক্ত একই আইনে ৯ ( ৩) ধারায় দোষী সাবস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায় দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে। ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার কামারিয়া গ্রামের মৃত মুকছেদ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (শফি) এবং ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সামছুল হক (সামছু)।

অন্য আসামী দুইজনকেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৯ (৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারী কৌশুলী (পিপি) ওমরাও খান (দীপু) জানান, জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াধাপ গ্রামের এক নারীকে দন্ডিতরা বিগত ২০২৩ সালের ২২ জুন টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা এলাকার ইয়াদ আলীর চালা নামক স্থানে বনের ভিতর একটি টং মেশিন ঘরে নিয়ে রাতভর ধর্ষন করে। পরে ওই নারী বাদি হয়ে ঘটনার চার দিন পর ২৬ জুন মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মধুপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তার আদালতে তিন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত বিগত ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় সাত জনের স্বাক্ষী গ্রহণ করা হয়।

রায় ঘোষনার পর তিন আসামীকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারী কৌশুলী (পিপি) ওমরাও খান দীপু। আসামী পক্ষে ছিলেন শাহান শাহ সিদ্দিকী।