ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সখীপুরে অটোভ্যানে চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু বাসাইলে মানবিক আহার কেন্দ্রের এক বছর পূর্তিতে দরিদ্রদের নিয়ে গণভোজ রোগীর সুস্থতার সঙ্গে চাই পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌরসভার অভিযান অনূর্ধ্ব-১৪ নারী ফুটবলারদের টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি উপহার দিলেন:প্রতিমন্ত্রী টুকু খালেদা জিয়ার জন্মদিনে টাঙ্গাইলে বিএনপির দোয়া মাহফিল টাঙ্গাইলে স্পন্দনের উদ্যোগে গণিত বিষয়ে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনের নারী পুলিশ হেফাজতে গোপালপুরে দুই পুকুরের মাঝে স্কুল ভবনে ফাটল, ঝুঁকিতে শিশুরা কালিহাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, আড়াই লাখ টাকা জরিমানা কালিহাতীতে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম,পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না

বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান-টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০২:০৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসে এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) পরিবার আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর জীবন, কর্ম ও আদর্শ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, রাজনৈতিক সংকটের সময় জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পুনর্গঠন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র এবং সেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন। মানুষের মত প্রকাশের অধিকার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছে এবং জনগণই ভবিষ্যতে সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করবে। তিনি রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্যের পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থে ঐক্য ধরে রাখার আহবান জানান।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে দেশে আর কোনো ধরনের স্বৈরাচারী বা দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ আলোচক ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। এসময় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতাকর্মী বক্তব্য রাখেন।

এম.কন্ঠ/ ২০ জুন /এম. টি

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করুন

বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন জিয়াউর রহমান-টুকু

প্রকাশ: ০২:০৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসে এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) পরিবার আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর জীবন, কর্ম ও আদর্শ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, রাজনৈতিক সংকটের সময় জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি দেশ পুনর্গঠন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র এবং সেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন। মানুষের মত প্রকাশের অধিকার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম ভিত্তি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছে এবং জনগণই ভবিষ্যতে সরকারের কার্যক্রমের মূল্যায়ন করবে। তিনি রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্যের পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থে ঐক্য ধরে রাখার আহবান জানান।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে দেশে আর কোনো ধরনের স্বৈরাচারী বা দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ আলোচক ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। এসময় টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতাকর্মী বক্তব্য রাখেন।

এম.কন্ঠ/ ২০ জুন /এম. টি