ইয়ং টাইর্গাস জাতীয় (অনুর্দ্ধ-১৬) ক্রিকেটে টাঙ্গাইল জেলা রানার্সআপ
টাঙ্গাইল জেলা (অনুর্দ্ধ-১৬)ক্রিকেট দল ২৫ ফেব্রুয়ারি জামালপুর স্টেডিয়ামে ফাইনালে নেত্রকোনা জেলা (অনুর্দ্ধ-১৬)ক্রিকেট দলের কাছে ৩৯ রানে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তত্বাবধানে গেমস ডেভলপমেন্টের আয়োজনে ইয়ং টাইর্গাস জাতীয়(অনুর্দ্ধ-১৬)ক্রিকেট দল ১৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ১৮ সদস্যের দল নিয়ে জামালপুর যায়। জামালপুর হটি কালচার সেন্টারে ১৩দিন অবস্থান করে গ্রুপ পর্ব শেষে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল পর্ব মিলিয়ে ৬টি ম্যাচে অংশগ্রহন করে।
১৪ ফেব্রুয়ারি ১ম ম্যাচে মানিকগঞ্জ জেলা (অনুর্দ্ধ-১৬) ক্রিকেট দলকে ১৩৬ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে। দলের পক্ষে নাহিয়ান ৫৭, মাহিন ৪২ ও রামিন ৩৪ রান করে।
বোলিংয়ে তৌফিক ৪টি ও নাহিয়ান ৩টি উইকেট দখল করে। ২য় ম্যাচে শেরপুর জেলা ক্রিকেট দলের কাছে ২৭ রানে পরাজিত হয়। দলের পক্ষে সাকিব আল হাসান সর্বোচ্চ ২৪ ও নাহিয়ান ১২ রান করে। ফিরতি লেগে মানিকগঞ্জ জেলাকে ২ উইকেটে পরাজিত করে। দলের পক্ষে রাকিব আরাফাত সর্বোচ্চ ৪৪ রান করে।
দলের পক্ষে নিরব ও তৌফিক ৩টি করে উইকেট দখল করে। গ্রুপে শেষ ৪র্থ ম্যাচে শেরপুর জেলাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে উত্তীন হয়। দলের পক্ষে নাহিয়ান ৪২ ও রাকিব আরাফাত ২১ রান করে।
সেমিফাইনালে স্বাগতিক জামালপুর জেলা (অনুর্দ্ধ-১৬)দলকে শ^াসরুদ্ধকর ম্যাচে ১ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে যায়। দলের পক্ষে রাকিব আরাফাত ৩৩ ও সিয়াম খান ৩২ রান করে। বোলিংয়ে রুদ্র ও নিরব ৩টি করে উইকেট দখল করে।
ফাইনালে নেত্রকোনা জেলা (অনুর্দ্ধ-১৬)দলের কাছে ৩৯ রানে পরাজিত হয়। নেত্রকোনা জেলা প্রথমে ব্যাটিং করে ১২৯ রানে অলআউট হলে টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট ৯০ রানে অলআউট হয়। দলের পক্ষে রাকিব আরাফাত সর্বোচ্চ ২৯ রান করে।
বোলিংয়ে তৌফিক ৬টি উইকেট দখল করে। টুর্নামেন্টে টাঙ্গাইল জেলা দলের তৌফিক সিদ্দিকী মাফি ১৭টি উইকেট দখল করে এবং রাকিব আরাফাত ৬ ম্যাচে ১৫২ রান করে। ক্রিকেট দলের সদস্যবৃন্দ হলেন রাকিব আরফাত(অধিনায়ক), সিয়াম খান, তৌফিক সিদ্দিকী মাফি, মাহিন, সৈয়দ নাহিয়ান, রামিন, নিরব, ইমরান হোসেন, তাওহীদ, সাকিব আল হাসান, রুদ্র, নিরব সরকার, সাকিব হোসেন, রিপন সরকার ও আদিত্য দাস।
প্রথম বারের মতো কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ঢাকা প্রিমিয়ার এবং জেলা লীগের সাবেক খেলোয়াড় ও কোচ রিপন কুমার সরকার ও সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিক মোজাম্মেল হক এবং ম্যানেজার ছিলেন রাজিব খান।
দলের পারফরমেন্স সর্ম্পকে অধিনায়ক রাকিব আরাফাত বলেন, আমার দল ব্যাটিংয়ে একটু দুর্বল হলেও বোলিং ভালো ছিলো। যে কারনে প্রায় ম্যাচেই প্রতিদ্বন্দিতার পর জয়লাভ করে ফাইনালে উঠেছিলাম। ফাইনালে আমরা ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। যে কারনে রানার্সআপ হয়ে সন্তুষ্ট হতে হয়েছে।
কোচ রিপন কুমার সরকার বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দিন ওদের অনুশীলন করাতে পেরেছি। যে কারনে এই দলকে সর্ম্পকে আমি বলতে পারি না। এই দলটি যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। তারপরও দল ফাইনালে খেলতে পেরেছে এটা আমাদের অনুপ্রেরণা ও খেলোয়াড়দের পরিশ্রমের ফসল। আমাদের দলের পেসবোলার দুর্বলতা প্রচুর। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা নেই। পরবর্তী গেমে ভালো করে দলগঠন ও পর্যাপ্ত অনুশীলন করলে সফলতা পাওয়া যাবে বলে আমার বিশ্বাস।
এম.কন্ঠ/২৬ ফেব্রুয়ারী /এম.টি





















