দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও স্কুলে খেলার মাঠ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার– প্রত্যক স্কুলে একটি করে মাঠ এবং স্কুলের বাইরে প্রত্যেকটা ইউনিয়নে একটি করে মাঠ করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রত্যেকটা ইউনিয়নে এবং প্রত্যেকটা স্কুলে—যাতে করে ছেলেরা, মেয়েরা খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকে। তাহলে কিন্তু নেশা তাদেরকে স্পর্শ করবে না।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ১৬২জন বৃত্তি প্রাপ্ত কৃতিশিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, দুষ্টের দমনে কঠোর হবেন—আমি কঠোর থাকব। তেমনি শিষ্টের পালনে নরম হবেন। তেমনি শিষ্টার পালনে ভালোবাসেন আর দুষ্টের দমনেও নরম হন। তাহলে কি দুষ্টকে দমন করা যাবে? দুষ্টের দমনে তেমনি কঠোর হতে হবে। আমি কাউকে চিনি না, যে ভালো তার সাথে আমি আছি। আমার সমস্ত প্রশাসন থাকবে, আমি আছি আমার সমস্ত ভালোবাসা থাকবে। যে খারাপ সে আমার ভাই-আত্মীয় ও বন্ধু-প্রতিবেশী হোক আমি তাকে চিনি না। তার প্রতি প্রশাসন নিষ্ঠুর হবে। আইন তার প্রতি কঠোর হবে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, আমার দেশটা গরীব। এই গরীব দেশের মধ্য থেকেই ১৮ বছরে প্রায় ৪০ লাখ কোটি টাকা লুট করে এই দেশটাকে আরও হরিভঙ্কুর করে দিয়েছে। সেজন্যে আপনাদেরকে আমরা যথাযথ বেতন দিতে পারি না। তারপরেও যেটুকু পারি অন্তত বেতন তো পান, অন্তত ঘি-ভাত না হলেও ডাল-ভাত তো খান। আপনার দায়িত্ব, আপনার কর্তব্য—যে স্কুলে শিক্ষকতা করেন, যে কলেজে শিক্ষকতা করেন, ওই স্কুল-কলেজকে অনেক উন্নত করা, লেখাপড়ার মানকে উন্নত করা।
মন্ত্রী বলেন, বাসাইলের একটা সন্তান যেন বখাটে না হয়, বাসাইলে যেন কোনো কিশোর গ্যাং তৈরি না হয়। ওসি সাহেব আছেন, আমি আপনাকে বলব, বাসাইলে যেন কোনো কিশোর গ্যাং বা ছিনতাইকারী গ্যাং তৈরি না হয়। বাসাইলে যেন কোনো রকমের চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি সংঘটিত না হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট দেওয়ান হুমায়ুন কবির রিপন, বাসাইল এমদাদ-হামিদা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আয়ুব মিয়া, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হীরা মিয়া, বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ মোল্লা, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমানসহ স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কৃতিছাত্রছাত্রীরা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে ১৬২ কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা সনদ, মেধা ক্রেস্ট, কলেজ ব্যাগসহ নানা উপহারসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
এম.কন্ঠ/ ০৮ অক্টোবর ২০২৬/এম. টি
























