গণমাধ্যমের জন্য একটি নীতিমালা থাকা অনিবার্য-তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের কাছ তিন দফা দাবি পেশ করেছে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদ (বিএএসপি)’র নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময় সভায় এ দাবি নামা পেশ করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, স্বচ্ছ গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের আয়না। গণমাধ্যম সরকারের ভুল ত্রুটির সমালোচনা করবে, পাশাপাশি সরকারের ভালো দিকটাও জনগণের কাছে তুলে ধরবে। কিন্ত গণমাধ্যম কোন মহল বা গোষ্ঠী দ্বারা প্রভাবিত করে সরকারের বিরুদ্ধে নেগেটিভ ম্যাসেস প্রচার করে রাষ্ট্রকে দুষিত করতে না পারে সেদিকেও গণমাধ্যম কর্মীদের সজাগ থাকতে হবে।
তিনি বলেন, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা রাষ্ট্রকে সঠিক যায়গায় নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
তিনি আরো বলেন, গণমাধ্যমের জন্য একটি নীতিমালা থাকা অনিবার্য। এ নীতিমালা কাঠামো করতে ইতোমধ্যে তথ্যমন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছে। আমরা গণমাধ্যমের সকল স্তরের নেতৃবৃন্দের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে এর চ‚ড়ান্ত করবো।
বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদ (বিএ এসপি)’র সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু’র সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব জাফর আহমেদ, সহ-সভাপতি শওকত হোসেন, সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব মোবিনুল ইসলাম মবিন, সদস্য ও শামসুল আলম খান, আমজাদ হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা আঞ্চলিক/স্হানীয় সংবাদপত্র টিকিয়ে রাখতে বিজ্ঞাপন নীতিমালার সংশোধনের জোরালো দাবি জানান।
মন্ত্রীর কাছে পেশকৃত তিন দফা দাবিগুলো হচ্ছে, মিডিয়া তালিভুক্ত মফস্বলের পত্রিকায় সরকারি, বে-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী স্থানীয় কমপক্ষে দুইটি পত্রিকায় প্রদান করতে হবে, বাজার মূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি কলাম ইঞ্চি বিজ্ঞাপন হার ন্যূনতম এক হাজার টাকা পুনঃনির্ধারণ করতে হবে এবং বিজ্ঞাপন প্রদানে পিপিআর ২০০৩ এবং বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র নীতিমালা ২০০৮ এর ২নং ধারার (ঙ) উপ-ধারা এবং ৩নং ধারায় বর্ণীত জাতীয় ও স্হানীয় পত্রিকার ক্ষেত্রে বীপরিত ধর্মী ভাষা সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে।
এম.কন্ঠ/ ১৯ অগাস্ট /এম. টি


























