ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে আইনজীবীদের সাথে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির মতবিনিময় বিরোধী দল সেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের স্টাইলে বক্তব্য দিচ্ছে-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী টাঙ্গাইলে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত সঠিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে দেশ গঠনে সহযোগিতা করুন-প্রতিমন্ত্রী টুকু দিঘুলীয়া কল্লোল সমিতির সাধারণ সভা টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শ্রমিকদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ টাঙ্গাইল জেলায় গুণী শিক্ষক মনোনীত মুহাম্মদ শাহীন আল মামুন নাগরপুরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ছুরিকাঘাতে স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা ব্রীজে রডের বদলে বাঁশ; এবার বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ ঘাটাইলে বৈদ্যুৎস্পৃষ্টে অটোরিকশা চালকের মৃত্যু

কালিহাতীতে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম,পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না

তারেক আহমেদ :
প্রকাশ: ০১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ভিয়াইল সংলগ্ন কুমর্সী বিলের মাঝে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

খাল খননের নামে সরকারি টাকা অপচয় হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।খালের পলি শ্রমিকের মাধ্যমে কোদাল দিয়ে কাটার পরিবর্তে ভেকু মেশিন দিয়ে কাটা হয়েছে।

খাল খননে খালের দুই পাশে খালের পাড় থাকার কথা থাকলেও পাড় দেখা যাচ্ছে না। বিলের পানিতে খালের পাড় ডুবে রয়েছে। দেখা যাচ্ছে খাল খননের খালের চিহ্ন। যা পানি নিষ্কাশন কোনো কাজে আসবে না। খাল খননে কোন উপকার আসছেনা কৃষকের।

ফলে সরকারের লাখ টাকার এই প্রকল্পের কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থা দেখা গেছে কালিহাতীর পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইল সংলগ্ন কুমর্সী বিলের খালে। এই খালে খননে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫ লাখ ৭৯ হাজার ১৪৭ টাকা। খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ উঠায় ৬ লাখ ২৬ হাজার ৫২৬ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পের আওতায় কালিহাতী উপজেলায় খালটির খনন হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, খালের তলদেশ খনন না করে শুধু খালের মাটি ফসলি জমির ওপর রাখা হচ্ছে। খনন না করে শুধু বাড়ানো হচ্ছে প্রশস্ততা। বৃষ্টির পানি শুকিয়ে গেলে মাটিধসে আবার খালেই পড়বে। ফলে এই এলাকার ফসল জলাবদ্ধতার কবলে পড়বে।

স্থানীয়দের অভিযোগ জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি নেওয়া হলেও এটি সুফলের চেয়ে দুর্ভোগ বাড়িয়েছে বহুগুণ। ১ কিলোমিটার খালের মধ্যে প্রায় ১০০ মিটার অংশ মোটেই খনন করা হয়নি। এছাড়া ভিয়াইলের কুমর্সী বিলের মূল প্রান্ত থেকে খালের সংযোগ নিশ্চিত না করেই কাজ শেষ করায় বিল থেকে খালে পানি

খালের দুই পাড়ে অপরিকল্পিত বাঁধ দেওয়ার কারণে পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসলি জমি বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া জনস্বার্থে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তথ্যসংবলিত কোনো সাইনবোর্ড প্রকল্প এলাকায় ঝুলানো হয়নি।

তবে তৎকালীন ইউএনও খায়রুল ইসলাম সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে কাজের খারাপ মান দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সম্পূর্ণ বিল প্রদানে বাধা দিয়ে তা আটকে দেন। পরবর্তীতে অনিয়মের অংশ হিসেবে উদ্বৃত্ত ও অসংগতিপূর্ণ ৬ লাখ ২৬ হাজার ৫২৬ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠায়।

এ খাল খনন না করে কালিহাতী উপজেলা নারান্দিয়া ইউনিয়নের মালতি থেকে নগরবাড়ী খাল অথবা পাথালিয়া থেকে শোলাকুলা নদী খনন কাজ হলে জনগণের উপকার হতো।

 

 

এম.কন্ঠ/ ১২ অগাস্ট /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম,পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না

প্রকাশ: ০১:৩১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ভিয়াইল সংলগ্ন কুমর্সী বিলের মাঝে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

খাল খননের নামে সরকারি টাকা অপচয় হয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।খালের পলি শ্রমিকের মাধ্যমে কোদাল দিয়ে কাটার পরিবর্তে ভেকু মেশিন দিয়ে কাটা হয়েছে।

খাল খননে খালের দুই পাশে খালের পাড় থাকার কথা থাকলেও পাড় দেখা যাচ্ছে না। বিলের পানিতে খালের পাড় ডুবে রয়েছে। দেখা যাচ্ছে খাল খননের খালের চিহ্ন। যা পানি নিষ্কাশন কোনো কাজে আসবে না। খাল খননে কোন উপকার আসছেনা কৃষকের।

ফলে সরকারের লাখ টাকার এই প্রকল্পের কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থা দেখা গেছে কালিহাতীর পারখী ইউনিয়নের ভিয়াইল সংলগ্ন কুমর্সী বিলের খালে। এই খালে খননে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫ লাখ ৭৯ হাজার ১৪৭ টাকা। খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ উঠায় ৬ লাখ ২৬ হাজার ৫২৬ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পের আওতায় কালিহাতী উপজেলায় খালটির খনন হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, খালের তলদেশ খনন না করে শুধু খালের মাটি ফসলি জমির ওপর রাখা হচ্ছে। খনন না করে শুধু বাড়ানো হচ্ছে প্রশস্ততা। বৃষ্টির পানি শুকিয়ে গেলে মাটিধসে আবার খালেই পড়বে। ফলে এই এলাকার ফসল জলাবদ্ধতার কবলে পড়বে।

স্থানীয়দের অভিযোগ জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি নেওয়া হলেও এটি সুফলের চেয়ে দুর্ভোগ বাড়িয়েছে বহুগুণ। ১ কিলোমিটার খালের মধ্যে প্রায় ১০০ মিটার অংশ মোটেই খনন করা হয়নি। এছাড়া ভিয়াইলের কুমর্সী বিলের মূল প্রান্ত থেকে খালের সংযোগ নিশ্চিত না করেই কাজ শেষ করায় বিল থেকে খালে পানি

খালের দুই পাড়ে অপরিকল্পিত বাঁধ দেওয়ার কারণে পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় কৃত্রিম জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে ফসলি জমি বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া জনস্বার্থে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তথ্যসংবলিত কোনো সাইনবোর্ড প্রকল্প এলাকায় ঝুলানো হয়নি।

তবে তৎকালীন ইউএনও খায়রুল ইসলাম সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে কাজের খারাপ মান দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সম্পূর্ণ বিল প্রদানে বাধা দিয়ে তা আটকে দেন। পরবর্তীতে অনিয়মের অংশ হিসেবে উদ্বৃত্ত ও অসংগতিপূর্ণ ৬ লাখ ২৬ হাজার ৫২৬ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠায়।

এ খাল খনন না করে কালিহাতী উপজেলা নারান্দিয়া ইউনিয়নের মালতি থেকে নগরবাড়ী খাল অথবা পাথালিয়া থেকে শোলাকুলা নদী খনন কাজ হলে জনগণের উপকার হতো।

 

 

এম.কন্ঠ/ ১২ অগাস্ট /এম. টি