ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ঘাটাইলে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবক নিহত ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাই চেষ্টা, যুবকের ১০ বছরের কারাদণ্ড গোপালপুরে বাসর ঘরে বরের মৃত্যু দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও স্কুলে খেলার মাঠ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী এলেঙ্গায় আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে মোবাইল কোর্ট; ৩০হাজার টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলে দলবদ্ধ ধর্ষনের দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন টাঙ্গাইলে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা টাঙ্গাইলে দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের মতবিনিময় সভা কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে নারীর অনশন গোপালপুরের জয় হত্যা: ডিমলায় মাটির নিচে মিলল মরদেহ

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৯ নেতাকর্মী বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০২:০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত) ১৯ জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এরমধ্যে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ চারজনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম সাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানাগেছে, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশেষ ছাত্র সংগঠনের প্রতিহিংসামূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গত বছরের ১৭ আগস্ট দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৬ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭তম শৃঙ্খলা বোর্ড সভা তাদেরকে বহিষ্কারে সুপারিশ করা হয়। ২৭ আগস্টে অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের ২৫০তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভিযুক্তদের মধ্যে ৪ জনকে আজীবন, ১ জনকে ৫ সেমিস্টার, ৭ জনকে ৪ সেমিস্টার ও ৭ জনকে ৩ সেমিস্টার করে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানা যায়, অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় ৪ জন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়। বাকী ১৫ জনকে তাদের অপরাধের ধরণ ও গুরুত্ব বিবেচনায় বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি এবং বহিষ্কারাদেশ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সূত্রমতে, আজীবনের জন্য বহিষ্কার হয়েছেন ইএসআরএম বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সভাপতি মানিক শীল, অর্থনীতি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শাওন ঘোষ ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাদিক ইকবাল। এছাড়া পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের রায়হান আহমেদ শান্তকে ৫ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত লঘু অপরাধে ৪ সেমিস্টারের বহিষ্কৃত ৭ জন শিক্ষার্থী হচ্ছেন- রসায়ন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. যোবায়ের দৌলা (রিয়ন) ও রানা বাপ্পি। গণিত বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত আহমেদ শুভ্র এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ সরকার উৎস ও মো. আবিদ হাসান মারুফ। অর্থনীতি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খালেকুজ্জামান নোমান। ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান।

৩ সেমিস্টারের জন্য ৭ বহিষ্কৃতরা হচ্ছেন- অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুজন মিয়া ও শিক্ষাবর্ষ ২০২০-২১ এর শিক্ষার্থী মো. নাঈম রেজা, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান, সিপিএস বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ রাজু ও ইমরানুল ইসলাম, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রিফাত হোসেন এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আনোয়ার হোসেন অন্তর।

এম.কন্ঠ/ ১৪ সেপ্টেম্বর /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৯ নেতাকর্মী বহিষ্কার

প্রকাশ: ০২:০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত) ১৯ জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এরমধ্যে সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ চারজনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম সাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানাগেছে, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিশেষ ছাত্র সংগঠনের প্রতিহিংসামূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের গত বছরের ১৭ আগস্ট দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৬ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭তম শৃঙ্খলা বোর্ড সভা তাদেরকে বহিষ্কারে সুপারিশ করা হয়। ২৭ আগস্টে অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের ২৫০তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক অভিযুক্তদের মধ্যে ৪ জনকে আজীবন, ১ জনকে ৫ সেমিস্টার, ৭ জনকে ৪ সেমিস্টার ও ৭ জনকে ৩ সেমিস্টার করে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানা যায়, অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় ৪ জন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়। বাকী ১৫ জনকে তাদের অপরাধের ধরণ ও গুরুত্ব বিবেচনায় বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি এবং বহিষ্কারাদেশ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সূত্রমতে, আজীবনের জন্য বহিষ্কার হয়েছেন ইএসআরএম বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সভাপতি মানিক শীল, অর্থনীতি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শাওন ঘোষ ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাদিক ইকবাল। এছাড়া পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের রায়হান আহমেদ শান্তকে ৫ সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত লঘু অপরাধে ৪ সেমিস্টারের বহিষ্কৃত ৭ জন শিক্ষার্থী হচ্ছেন- রসায়ন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. যোবায়ের দৌলা (রিয়ন) ও রানা বাপ্পি। গণিত বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাখাওয়াত আহমেদ শুভ্র এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ সরকার উৎস ও মো. আবিদ হাসান মারুফ। অর্থনীতি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী খালেকুজ্জামান নোমান। ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান।

৩ সেমিস্টারের জন্য ৭ বহিষ্কৃতরা হচ্ছেন- অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুজন মিয়া ও শিক্ষাবর্ষ ২০২০-২১ এর শিক্ষার্থী মো. নাঈম রেজা, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান, সিপিএস বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ রাজু ও ইমরানুল ইসলাম, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রিফাত হোসেন এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আনোয়ার হোসেন অন্তর।

এম.কন্ঠ/ ১৪ সেপ্টেম্বর /এম. টি