ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে “নজরুল বর্ষ” উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভূঞাপুরে পাট ক্ষেত থেকে গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার টাঙ্গাইলে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়, অভিযোগে তদন্তে দুদক নাগরপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর পাটক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার সখীপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর ডোবা থেকে বিধবা নারীর লাশ উদ্ধার টাঙ্গাইলে টাকা হাওলাদ না দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ গোপালপুর পৌরসভার ১৬ কোটি ৬২ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড কালিহাতীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

কালিহাতীতে ওয়াক্‌ফ স্টেটের ফসলি জমির মাটি বিক্রির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কালিহাতী প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ০২:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

oplus_0

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সালেংকা গ্রামে জাগির মামুদ মন্ডল ওয়াক্‌ফ স্টেটের ফসলি জমির মাটি অবৈধভাবে বিক্রির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওয়াক্ফ স্টেটের শুভাকাঙ্খী ও গ্রামবাসী। শনিবার বিকেলে জাগির মামুদ মন্ডলবাড়ি প্রাঙ্গণে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শহীদুল ইসলাম শহীদ বলেন, জাগির মাহমুদ মন্ডল জীবিত অবস্থায় এই ওয়াক্ফ স্টেটটি প্রতিষ্ঠা করেন। যার (নিবন্ধন নং: ১০৫৮০)। ওয়াক্ফ দলিল শর্ত অনুযায়ী তাদের পালকপুত্র কলিম উদ্দিন সরকার এই সম্পত্তির পরবর্তী মোতাওয়াল্লি হন। এরপর শর্ত ছিল যে পরিবারে যিনি বয়োজ্যৈষ্ঠ ও ধার্মিক হবেন তিনি হবেন মোতাওয়াল্লি।

এরই মধ্যে ওয়াক্ফ সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে গ্রাম দুটি ভাগে বিভক্ত হয়। একটি পক্ষ মিথ্যা তথ্যের আশ্রয় নিয়ে কলিমউদ্দিন সরকারকে সন্তানহীন প্রমাণ করতে এক নতুন মোতাওয়াল্লি নিয়োগের চেষ্টায় মামলা করে।

এরপর ধারাবাহিকভাবে আমজাদ হোসেন এবং সোহরাব মোতাওয়াল্লি হন। কিন্তু সোহরাবের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর আওয়ামী সরকারের সাবেক এমপি আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর ডিও লেটারে আব্দুল আজিজ মোতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, আব্দুল আজিজ ১৫ বছর দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর সময়ে ওয়াক্ফ স্টেটের আয়-ব্যায়ের কোন হিসাব দেননি এবং অবৈধভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন। গত দুই থেকে তিন বছর আগে আব্দুল আজিজ মারা যাওয়ার পরে এই ওয়াক্ফ স্টেটে বৈধ কোন মোতাওয়াল্লি নেই। কিন্তু আব্দুল আজিজ এর ছেলে মোসলেম উদ্দিন নিজেকে মোতাওয়াল্লি হিসাবে দাবি করে ওয়াক্ফ স্টেটের ফলনযোগ্য জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে মসজিদ নির্মাণ করার কথা বলে অবৈধভাবে মাটি বিক্রি করছে, যা পুরো ওয়াক্ফ স্টেটকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তারা দাবি করেন মোসলেম উদ্দিনের মোতাওয়াল্লির কোন বৈধতা নেই।

তাদের অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে মোসলেম উদ্দিন, লতিফ গংরা জাগির মামুদের মনোনীত কলিম উদ্দিনের ওয়ারিশগণদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখান এবং হামলা করতে আসেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কলিম উদ্দিনের ছোট মেয়ে জাহানারা বেগম, নাতি তৌহিদ রশিদ, গ্রামবাসী জহুরুল হক দুলাল, চাঁন মাহমুদ, ইমান আলী মিয়া, ছানোয়ার হোসেন ও হানিফা।

সংবাদ সম্মেলন থেকে অবৈধ এ কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এছাড়াও তারা প্রশাসনের প্রতি জমি রক্ষা ও ওয়াক্ফ স্টেটের স্বার্থ সংরক্ষণের আহ্বান জানান।

 

এম.কন্ঠ/  ০৩ মে   /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে ওয়াক্‌ফ স্টেটের ফসলি জমির মাটি বিক্রির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: ০২:১৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সালেংকা গ্রামে জাগির মামুদ মন্ডল ওয়াক্‌ফ স্টেটের ফসলি জমির মাটি অবৈধভাবে বিক্রির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওয়াক্ফ স্টেটের শুভাকাঙ্খী ও গ্রামবাসী। শনিবার বিকেলে জাগির মামুদ মন্ডলবাড়ি প্রাঙ্গণে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শহীদুল ইসলাম শহীদ বলেন, জাগির মাহমুদ মন্ডল জীবিত অবস্থায় এই ওয়াক্ফ স্টেটটি প্রতিষ্ঠা করেন। যার (নিবন্ধন নং: ১০৫৮০)। ওয়াক্ফ দলিল শর্ত অনুযায়ী তাদের পালকপুত্র কলিম উদ্দিন সরকার এই সম্পত্তির পরবর্তী মোতাওয়াল্লি হন। এরপর শর্ত ছিল যে পরিবারে যিনি বয়োজ্যৈষ্ঠ ও ধার্মিক হবেন তিনি হবেন মোতাওয়াল্লি।

এরই মধ্যে ওয়াক্ফ সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে গ্রাম দুটি ভাগে বিভক্ত হয়। একটি পক্ষ মিথ্যা তথ্যের আশ্রয় নিয়ে কলিমউদ্দিন সরকারকে সন্তানহীন প্রমাণ করতে এক নতুন মোতাওয়াল্লি নিয়োগের চেষ্টায় মামলা করে।

এরপর ধারাবাহিকভাবে আমজাদ হোসেন এবং সোহরাব মোতাওয়াল্লি হন। কিন্তু সোহরাবের বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর আওয়ামী সরকারের সাবেক এমপি আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর ডিও লেটারে আব্দুল আজিজ মোতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, আব্দুল আজিজ ১৫ বছর দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর সময়ে ওয়াক্ফ স্টেটের আয়-ব্যায়ের কোন হিসাব দেননি এবং অবৈধভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন। গত দুই থেকে তিন বছর আগে আব্দুল আজিজ মারা যাওয়ার পরে এই ওয়াক্ফ স্টেটে বৈধ কোন মোতাওয়াল্লি নেই। কিন্তু আব্দুল আজিজ এর ছেলে মোসলেম উদ্দিন নিজেকে মোতাওয়াল্লি হিসাবে দাবি করে ওয়াক্ফ স্টেটের ফলনযোগ্য জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে মসজিদ নির্মাণ করার কথা বলে অবৈধভাবে মাটি বিক্রি করছে, যা পুরো ওয়াক্ফ স্টেটকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তারা দাবি করেন মোসলেম উদ্দিনের মোতাওয়াল্লির কোন বৈধতা নেই।

তাদের অবৈধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে মোসলেম উদ্দিন, লতিফ গংরা জাগির মামুদের মনোনীত কলিম উদ্দিনের ওয়ারিশগণদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখান এবং হামলা করতে আসেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কলিম উদ্দিনের ছোট মেয়ে জাহানারা বেগম, নাতি তৌহিদ রশিদ, গ্রামবাসী জহুরুল হক দুলাল, চাঁন মাহমুদ, ইমান আলী মিয়া, ছানোয়ার হোসেন ও হানিফা।

সংবাদ সম্মেলন থেকে অবৈধ এ কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এছাড়াও তারা প্রশাসনের প্রতি জমি রক্ষা ও ওয়াক্ফ স্টেটের স্বার্থ সংরক্ষণের আহ্বান জানান।

 

এম.কন্ঠ/  ০৩ মে   /এম.টি