ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনের নারী পুলিশ হেফাজতে গোপালপুরে দুই পুকুরের মাঝে স্কুল ভবনে ফাটল, ঝুঁকিতে শিশুরা কালিহাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, আড়াই লাখ টাকা জরিমানা কালিহাতীতে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়ম,পানি নিষ্কাশন হচ্ছে না টাঙ্গাইলে আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মধুপুরে নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ-ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ কর্মশালা  টাঙ্গাই‌লে রাজমিস্ত্রি হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টাঙ্গাইলে খামারিদের মাঝে মহিষ বিতরণ নদীভাঙ্গন এলাকায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে কালিহাতী নাগরিক অধিকার সুরক্ষা গোপালপুরে ৩০ শতাংশের নিচে পাস সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

টাঙ্গাইলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, নাকাল জনজীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৬:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলে প্রতিদিন বাড়ছে তাপমাত্রা। সোমবার ১২ টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

প্রচন্ড রোদ ও গরমে নাকাল হচ্ছে জনজীবন। অসহ্য গরমে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে প্রাণিকূল। জেলার হাসপাতাল গুলোতে বেড়েছে গরমজনিত রোগির সংখ্যা। তীব্র তাপে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন-আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। প্রয়োজনের তাগিদে ঘর থেকে বেরিয়ে কাজও করতে পারছেন না তারা।

সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রখর রোদ ও প্রচন্ড গরমে মানুষ দাঁড়িয়ে থাকলেও খুব ঘেমে যাচ্ছে। রোদের তীব্রতা বেশি হওয়ায় খুব অল্পতেই মানুষ হয়রান হয়ে যাচ্ছে। ফলে শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। তাদের আয়-রোজগার বন্ধের উপক্রম। অনেকেই গাছের নিচে বা ভবনের ছায়াতে বসে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে। একটু স্বস্তির জন্য ঠান্ডা শরবতের দোকানেও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। গরমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যুবকদের স্যালো মেশিন ও পুকুরে গোসল করতে দেখা গেছে।

সদর উপজেলার অমরপুর গ্রামের কৃষক মো. কুদ্দুস বলেন, গরমের কারনে আধা ঘন্টাও ধান ক্ষেতে থাকতে পারি না। একটু কাজ করতেই হাপিয়ে যাচ্ছি। তাই বার বার গাছের নিচে বিশ্রাম করছি।

শহরের রিকশা চালক হুমায়ন মিয়া বলেন, রোদের কারনে রিকশার যাত্রী খুবই কম। চার ঘন্টায় মাত্র দেড় টাকা কামাই করেছি। তা থেকে দুপুরে ৭০ টাকার খাবার খাইছি।

টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন বলেন,  সোমবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত জেলা তাপমাত্রা ছিলো ৪০ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিলো ৩০ শতাংশ। এ রকম পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন থাকবে।

এম.কন্ঠ/ ২৯ এপ্রিল/এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, নাকাল জনজীবন

প্রকাশ: ০৬:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলে প্রতিদিন বাড়ছে তাপমাত্রা। সোমবার ১২ টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

প্রচন্ড রোদ ও গরমে নাকাল হচ্ছে জনজীবন। অসহ্য গরমে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে প্রাণিকূল। জেলার হাসপাতাল গুলোতে বেড়েছে গরমজনিত রোগির সংখ্যা। তীব্র তাপে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন-আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। প্রয়োজনের তাগিদে ঘর থেকে বেরিয়ে কাজও করতে পারছেন না তারা।

সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রখর রোদ ও প্রচন্ড গরমে মানুষ দাঁড়িয়ে থাকলেও খুব ঘেমে যাচ্ছে। রোদের তীব্রতা বেশি হওয়ায় খুব অল্পতেই মানুষ হয়রান হয়ে যাচ্ছে। ফলে শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে। তাদের আয়-রোজগার বন্ধের উপক্রম। অনেকেই গাছের নিচে বা ভবনের ছায়াতে বসে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে। একটু স্বস্তির জন্য ঠান্ডা শরবতের দোকানেও ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। গরমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের যুবকদের স্যালো মেশিন ও পুকুরে গোসল করতে দেখা গেছে।

সদর উপজেলার অমরপুর গ্রামের কৃষক মো. কুদ্দুস বলেন, গরমের কারনে আধা ঘন্টাও ধান ক্ষেতে থাকতে পারি না। একটু কাজ করতেই হাপিয়ে যাচ্ছি। তাই বার বার গাছের নিচে বিশ্রাম করছি।

শহরের রিকশা চালক হুমায়ন মিয়া বলেন, রোদের কারনে রিকশার যাত্রী খুবই কম। চার ঘন্টায় মাত্র দেড় টাকা কামাই করেছি। তা থেকে দুপুরে ৭০ টাকার খাবার খাইছি।

টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল হোসেন বলেন,  সোমবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত জেলা তাপমাত্রা ছিলো ৪০ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিলো ৩০ শতাংশ। এ রকম পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন থাকবে।

এম.কন্ঠ/ ২৯ এপ্রিল/এম.টি