ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
কালিহাতীতে অনুমোদনহীন বালুঘাট, ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রতিনিধি সম্মেলনে সেরা প্রতিবেদক হলেন জাগো নিউজের নোমান কালিহাতীতে কিন্ডার গার্টেন স্কুলে চুরি, উধাও ৩ সিলিং ফ্যান গোপালপুরে ৬০ কেজি গাঁজাসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার কালিহাতীতে বিএসটিআই’র লোগো ব্যবহারে আয়েশা বেকারিকে জরিমানা টাঙ্গাইলে ‘জামিল বস’র ৩য় মৃত্যুবার্ষিকী পালন কালিহাতীতে মাইস্তা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা কালিহাতীতে লাইসেন্স ও স্বাস্থ্য সনদ না থাকায় দুই মাংস ব্যবসায়ীকে জরিমানা টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য পৃথকীকরণ কর্মসূচী ঘাটাইলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের স্থান পরিদর্শন এসে

বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকুক এটা বিএনপি চায় না…মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ১০:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

বাংলাদেশের মানুষ সুখে থাকুক ভালো থাকুক এটা বিএনপি চায় না বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।

শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের স্থান পরিদর্শন এসে এই মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী এসময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচনের আগে পাকিস্তান সময়ে ভালো ছিলাম এই বক্তব্যে পাল্টা প্রশ্ন করে জানতে চান কোন বিষয়ে কোন সুযোগে ভালো ছিলেন? এখন সেই ধারাবাহিকতায় গত ১০ দিন ধরে কি বলে? যেহেতু পেঁয়াজের দাম কমেছে, জিনিস পত্রের দাম কমেছে মানুষ একটু স্বস্তিতে আছে, এখন তারা ভারতের পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। দেশের মানুষ ভালো থাকুক তারা তা চায় না।

তিনি বিএনপি’র আরও সমালোচনা করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন ছিল এ দেশে শোষণ মুক্ত, দারিদ্র্য মুক্ত সমাজ তৈরি করা। সেটা যেন না হয় সেইজন্য এখনও তারা পাকিস্তানকেই হৃদয়ে ধারণ করে নানা সমালোচনা করেন। এসময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণ উপর জোর দেন।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চলানা করেন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম ।

এ সময় বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেন, আমি লতিফ সিদ্দিকীকে পেয়েছিলাম বলেই বঙ্গবন্ধুকে পেয়েছিলাম সেদিন। আমি বঙ্গবন্ধুর এক জন হাতিয়ার ছিলাম। আমি কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাহিরে যায়নি। কয়েক দফায় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বরাবর দরখাস্ত দিয়েছি যাতে করে কাদেরিয়া বাহিনির একটি জাদুঘর তৈরি করা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হয়নি। তবে মোজাম্মেল মন্ত্রী হওয়ার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার বোন শেখ হাসিনাকে চিঠি দেওয়ায় মন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়ায় আজকে জায়গা পরিদর্শন করতে এসেছেন।আমার যেন সৌভাগ্য হয় যে জীবিত অবস্থায় এই জাদুঘর দেখে যেতে পারি।

সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমেরিকা যে চিন্তা করছে যে তারা বাংলাদেশকে এক দলের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে ধ্বংস করবে তাহলে তারা ভূল করছে। তারা কোন ভাবেই বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে পারবেনা আমেরিকার সহযোগিতা নিয়ে।আমরা শেখ হাসিনার চিন্তা না করে দেশের মানুষের চিন্তা করি তাহলে দেখবেন মানুষ যখন ভালেবাসবে তখন আর কোন বাঁধা শেখ হাসিনাকে কিছু করতে পারবেনা।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের), সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য ছোট মনির, সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান, জেলা প্রাশাসক কায়ছারুল ইসলাম, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সখীপুর পৌরসভার মেয়র আবু হানিফ আজাদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর প্রতীকসহ বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

বক্তারা টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর হাতে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র সমর্পণের স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরটি মিউজিয়ামের রুপান্তরের দাবি জানান। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

এম.কন্ঠ/৩০ মার্চ/এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের স্থান পরিদর্শন এসে

বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকুক এটা বিএনপি চায় না…মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

প্রকাশ: ১০:৪০:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মার্চ ২০২৪

বাংলাদেশের মানুষ সুখে থাকুক ভালো থাকুক এটা বিএনপি চায় না বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।

শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় কাদেরিয়া বাহিনীর জাদুঘরের স্থান পরিদর্শন এসে এই মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী এসময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্বাচনের আগে পাকিস্তান সময়ে ভালো ছিলাম এই বক্তব্যে পাল্টা প্রশ্ন করে জানতে চান কোন বিষয়ে কোন সুযোগে ভালো ছিলেন? এখন সেই ধারাবাহিকতায় গত ১০ দিন ধরে কি বলে? যেহেতু পেঁয়াজের দাম কমেছে, জিনিস পত্রের দাম কমেছে মানুষ একটু স্বস্তিতে আছে, এখন তারা ভারতের পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। দেশের মানুষ ভালো থাকুক তারা তা চায় না।

তিনি বিএনপি’র আরও সমালোচনা করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন ছিল এ দেশে শোষণ মুক্ত, দারিদ্র্য মুক্ত সমাজ তৈরি করা। সেটা যেন না হয় সেইজন্য এখনও তারা পাকিস্তানকেই হৃদয়ে ধারণ করে নানা সমালোচনা করেন। এসময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণ উপর জোর দেন।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য লতিফ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চলানা করেন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম ।

এ সময় বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেন, আমি লতিফ সিদ্দিকীকে পেয়েছিলাম বলেই বঙ্গবন্ধুকে পেয়েছিলাম সেদিন। আমি বঙ্গবন্ধুর এক জন হাতিয়ার ছিলাম। আমি কখনো বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাহিরে যায়নি। কয়েক দফায় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বরাবর দরখাস্ত দিয়েছি যাতে করে কাদেরিয়া বাহিনির একটি জাদুঘর তৈরি করা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হয়নি। তবে মোজাম্মেল মন্ত্রী হওয়ার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার বোন শেখ হাসিনাকে চিঠি দেওয়ায় মন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়ায় আজকে জায়গা পরিদর্শন করতে এসেছেন।আমার যেন সৌভাগ্য হয় যে জীবিত অবস্থায় এই জাদুঘর দেখে যেতে পারি।

সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমেরিকা যে চিন্তা করছে যে তারা বাংলাদেশকে এক দলের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে ধ্বংস করবে তাহলে তারা ভূল করছে। তারা কোন ভাবেই বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে পারবেনা আমেরিকার সহযোগিতা নিয়ে।আমরা শেখ হাসিনার চিন্তা না করে দেশের মানুষের চিন্তা করি তাহলে দেখবেন মানুষ যখন ভালেবাসবে তখন আর কোন বাঁধা শেখ হাসিনাকে কিছু করতে পারবেনা।

এতে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের), সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য ছোট মনির, সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান, জেলা প্রাশাসক কায়ছারুল ইসলাম, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সখীপুর পৌরসভার মেয়র আবু হানিফ আজাদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর প্রতীকসহ বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

বক্তারা টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর হাতে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র সমর্পণের স্মৃতি সংরক্ষণ ও জাদুঘরটি মিউজিয়ামের রুপান্তরের দাবি জানান। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

 

এম.কন্ঠ/৩০ মার্চ/এম.টি