ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সেতু’র নির্বাহী পরিচালক প্রয়াত মির্জা সাহাদত হোসেনের জন্মদিন পালিত শতবর্ষ পেরিয়েও প্রাসঙ্গিক “সুলতানা স্বপ্ন”: টাঙ্গাইলে পাঠ প্রতিক্রিয়া ও বই বিতরণ উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন  সাংবাদিক শেখর এর মায়ে’র পরলোকগমন ঘাটাইলে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা টাঙ্গাইলে ছাত্রদলনেতা রউফ এর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কালিহাতীতে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে পলাতক আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে জেন্ডার সমতা ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নাগরিক সংলাপ টাঙ্গাইলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা কালিহাতীতে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে কোটি টাকা আত্মসাৎ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

টাঙ্গাইলে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের কাছ থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা। একই সাথে তাদের পাসপোর্ট নিয়ে ফেরত দেয়নি চালাল চক্র।

শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অবস্বরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুর রহিম মুকুল। লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রহিম মুকুল বলেন, প্রায় দুই বছর আগে রহিজ উদ্দিন কাপালী, ছাবাস উদ্দিন কাপালী, সালমা বেগম, শাহ আলম, বাবুল কাপালী এবং সিয়াম এই ৬ জন দালাল চক্র একত্র হয়ে আমাদের বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন ও অধিক বেতনের লোভ দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে। পরে আমাদের কাছ থেকে কয়েক দফায় মোট থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা নেয় তারা। এসময় আমাদের পাসপোর্টও নেয়া হয়। কিন্ত এখন পর্যন্ত পাসপোর্ট ও আমাদের টাকা ফেরত দেয়া হয়নি।

তিনি আরো বলেন, অনেকেই দালাল চক্রের কাছে সর্বস্ব দিয়েছেন। একাধিবার পাসপোর্ট ও টাকা চেয়েও ফেরত পাওয়া যায়নি। আমরা এ ঘটনায় গত ১৫ মার্চ টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি। কিন্ত পুলিশ এখন পর্যন্ত অভিযোগটি আমলে নেয়া হয়নি। চালাল চক্রের মূল হোতা রহিজ উদ্দিন কাপালী স্বপরিবারে পলাতক রয়েছে। এ অবস্থায় আমরা পরিবারবর্গ নিয়ে খুব শোচনীয়ভাবে দিন যাপত করছি। তারা আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে মামলা না করার জন্য। এই দালাল চক্র বিভিন্ন এলাকার লোকজনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। এই চালালচক্র যাতে দেশের বাইরে যেতে না পারে সে ব্যাপারে নজর রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি। আমরা জেলা প্রশাসন, র‌্যাব-পুলিশসহ সকলের কাছে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা দ্রুতই টাকা ও পাসপোর্স ফেরত চাই।

এ সময় ভুক্তভোগী এসএম মহিউদ্দিন বাদল, এসএম আশরাফুল হক কনক, অপূর্ব হোসেন, সেলিম রেজা, মাছুম, আকন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে চালাল চক্রের মূল হোতা রহিজ উদ্দিন কাপালীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই শান্ত দেব বলেন, অভিযোগটি আমলে নেয়া হয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ডকুমেন্ট দেয়ার কথা ছিলো, পরবর্তীতে তা আর দেননি। তবুও অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

এম.কন্ঠ/  ০৪ এপ্রিল  /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে কোটি টাকা আত্মসাৎ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: ০১:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

টাঙ্গাইলে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর কথা বলে ২৮ জনের কাছ থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করছেন ভুক্তভোগীরা। একই সাথে তাদের পাসপোর্ট নিয়ে ফেরত দেয়নি চালাল চক্র।

শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অবস্বরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুর রহিম মুকুল। লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রহিম মুকুল বলেন, প্রায় দুই বছর আগে রহিজ উদ্দিন কাপালী, ছাবাস উদ্দিন কাপালী, সালমা বেগম, শাহ আলম, বাবুল কাপালী এবং সিয়াম এই ৬ জন দালাল চক্র একত্র হয়ে আমাদের বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন ও অধিক বেতনের লোভ দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে। পরে আমাদের কাছ থেকে কয়েক দফায় মোট থেকে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা নেয় তারা। এসময় আমাদের পাসপোর্টও নেয়া হয়। কিন্ত এখন পর্যন্ত পাসপোর্ট ও আমাদের টাকা ফেরত দেয়া হয়নি।

তিনি আরো বলেন, অনেকেই দালাল চক্রের কাছে সর্বস্ব দিয়েছেন। একাধিবার পাসপোর্ট ও টাকা চেয়েও ফেরত পাওয়া যায়নি। আমরা এ ঘটনায় গত ১৫ মার্চ টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি। কিন্ত পুলিশ এখন পর্যন্ত অভিযোগটি আমলে নেয়া হয়নি। চালাল চক্রের মূল হোতা রহিজ উদ্দিন কাপালী স্বপরিবারে পলাতক রয়েছে। এ অবস্থায় আমরা পরিবারবর্গ নিয়ে খুব শোচনীয়ভাবে দিন যাপত করছি। তারা আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে মামলা না করার জন্য। এই দালাল চক্র বিভিন্ন এলাকার লোকজনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। এই চালালচক্র যাতে দেশের বাইরে যেতে না পারে সে ব্যাপারে নজর রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি। আমরা জেলা প্রশাসন, র‌্যাব-পুলিশসহ সকলের কাছে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা দ্রুতই টাকা ও পাসপোর্স ফেরত চাই।

এ সময় ভুক্তভোগী এসএম মহিউদ্দিন বাদল, এসএম আশরাফুল হক কনক, অপূর্ব হোসেন, সেলিম রেজা, মাছুম, আকন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে চালাল চক্রের মূল হোতা রহিজ উদ্দিন কাপালীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই শান্ত দেব বলেন, অভিযোগটি আমলে নেয়া হয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ডকুমেন্ট দেয়ার কথা ছিলো, পরবর্তীতে তা আর দেননি। তবুও অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

এম.কন্ঠ/  ০৪ এপ্রিল  /এম.টি