ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে দুই প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা বাসাইলে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক মামুন ও সদস্য সচিব মোস্তফা কালিহাতীতে সড়কের গর্ত সংস্কারের কাজ শুরু ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা বাসাইলে মৎস্য চাষি ও খামারিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা টাঙ্গাইলে সাবেক ইউপি সদস্যকে হত্যা; গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন নাগরপুরে চোরের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল রাজমিন্ত্রীর; গ্রেপ্তার ১ ঘাটাইলে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পরিবেশ রক্ষায় প্রতিভা প্রি ক্যাডেট স্কুলে গাছের চারা বিতরণ বাসাইলে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের মাসিক সমন্বয় সভা

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:০৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দুই জন রিমাণ্ডে রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন, ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার সাদের আলীর ছেলে মো. আবিদ, মুন্সিগঞ্জের হাসড়া এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. মাসুম, বাগেরহাটের মড়লগঞ্জের কুটিয়ালি শিকদারপাড়া গ্রামের মৃত আলী আক্কাস শেখের ছেলে হিরা মামুন ও ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার বিষ্ণপুর গ্রামের আ. সামাদ খানের ছেলে নুর ইসলাম ওরফে কালু।

সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জামুর্কি পল্লী বিদ্যুতে সামনে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি হয়। পরে ১২ সেপ্টেম্বর পিকআপের চালক মুখছেদ আলী বাদি হয়ে মির্জাপুর থানায় ডাকাতি মামলা হয়।

ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের প্রত্যক্ষ তত্বাবধায়নে মামলাটি ডিবিকে (উত্তর) তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৮ সেপ্টেম্বর গেন্ডারিয়া থেকে আবিদকে ও সূত্রাপুর থেকে মাসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবিদ নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মাসুমের তথ্যের ভিত্তিতে ১৯ সেপ্টেম্বর গাবতলী থেকে নুর ইসলাম ওরফে কালু ও নারায়নগঞ্জের চিনাগাং রোড থেকে হীরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জিজ্ঞাসাবাদের তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত পিকআপ ও দুইটি বাছুর উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়াও একটি বাছুর মারা গেছে ও অপর একটি বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়াও চারটি গাভী জবাই করে মাংস বিক্রি করা হয়েছে। ডাকাত হিরা মামুন ও কালুর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ডাকাতি মাদকসহ ৯ টি করে মামলা রয়েছে।

 

এম.কন্ঠ/ ২২ সেপ্টেম্বর /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

প্রকাশ: ০১:০৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে দুই জন রিমাণ্ডে রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন, ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার সাদের আলীর ছেলে মো. আবিদ, মুন্সিগঞ্জের হাসড়া এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. মাসুম, বাগেরহাটের মড়লগঞ্জের কুটিয়ালি শিকদারপাড়া গ্রামের মৃত আলী আক্কাস শেখের ছেলে হিরা মামুন ও ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার বিষ্ণপুর গ্রামের আ. সামাদ খানের ছেলে নুর ইসলাম ওরফে কালু।

সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জামুর্কি পল্লী বিদ্যুতে সামনে গরুবাহী পিকআপে ডাকাতি হয়। পরে ১২ সেপ্টেম্বর পিকআপের চালক মুখছেদ আলী বাদি হয়ে মির্জাপুর থানায় ডাকাতি মামলা হয়।

ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের প্রত্যক্ষ তত্বাবধায়নে মামলাটি ডিবিকে (উত্তর) তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৮ সেপ্টেম্বর গেন্ডারিয়া থেকে আবিদকে ও সূত্রাপুর থেকে মাসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবিদ নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মাসুমের তথ্যের ভিত্তিতে ১৯ সেপ্টেম্বর গাবতলী থেকে নুর ইসলাম ওরফে কালু ও নারায়নগঞ্জের চিনাগাং রোড থেকে হীরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। জিজ্ঞাসাবাদের তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত পিকআপ ও দুইটি বাছুর উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়াও একটি বাছুর মারা গেছে ও অপর একটি বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়াও চারটি গাভী জবাই করে মাংস বিক্রি করা হয়েছে। ডাকাত হিরা মামুন ও কালুর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ডাকাতি মাদকসহ ৯ টি করে মামলা রয়েছে।

 

এম.কন্ঠ/ ২২ সেপ্টেম্বর /এম. টি