ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে “নজরুল বর্ষ” উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ভূঞাপুরে পাট ক্ষেত থেকে গাঁজা গাছসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার টাঙ্গাইলে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী কালিহাতীতে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়, অভিযোগে তদন্তে দুদক নাগরপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর পাটক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার সখীপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর ডোবা থেকে বিধবা নারীর লাশ উদ্ধার টাঙ্গাইলে টাকা হাওলাদ না দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ গোপালপুর পৌরসভার ১৬ কোটি ৬২ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড কালিহাতীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

কালিহাতীতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপন

কালিহাতী প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ১২:৩২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

???????

একটি শিশু, একটি স্বপ্ন- ফুলের সাথে বিকশিত হোক আগামীর প্রজন্ম” এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ১৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ জুন) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পর্যায়ক্রমে উপজেলার সাতুটিয়া, খিলদা ও ঘুনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কৃষ্ণচূড়া, জারুল ও সোনালু গাছ রোপণের মাধ্যমে একযোগে কালিহাতী উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম।

এসময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার কুলসুম সোলায়মান, সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুল আউয়াল খান, সাতুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান আমিনা নাসরিন, খিলদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিখিল চন্দ্র পাল ও ঘুনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেন সহ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৬২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে একযোগে ১টি কৃষ্ণচূড়া, ১টি জারুল এবং ১টি সোনালু মোট ৪ হাজার ৮৬৯টি গাছ লাগানোর কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শরিফা হক। তারই ধারাবাহিকতায় কালিহাতী উপজেলার ১৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কৃষ্ণচূড়া, জারুল ও সোনালু গাছ রোপন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বৃক্ষরোপণ আমাদের নৈতিক দায়িত্ব‌। পরিবেশের ক্ষতি করে পৃথিবীতে কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না। তাই উন্নয়নের সঙ্গে আমাদের পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। উন্নয়নের নামে বৃক্ষ নিধন, বনভূমি উজাড় ও প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাটের মতো কাজ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে এবং প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে বৃক্ষরোপণ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এম.কন্ঠ/  ২৫ জুন   /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপন

প্রকাশ: ১২:৩২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

একটি শিশু, একটি স্বপ্ন- ফুলের সাথে বিকশিত হোক আগামীর প্রজন্ম” এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে একযোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ১৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ জুন) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পর্যায়ক্রমে উপজেলার সাতুটিয়া, খিলদা ও ঘুনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কৃষ্ণচূড়া, জারুল ও সোনালু গাছ রোপণের মাধ্যমে একযোগে কালিহাতী উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম।

এসময় উপজেলা শিক্ষা অফিসার কুলসুম সোলায়মান, সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুল আউয়াল খান, সাতুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান আমিনা নাসরিন, খিলদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিখিল চন্দ্র পাল ও ঘুনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশাররফ হোসেন সহ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৬২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে একযোগে ১টি কৃষ্ণচূড়া, ১টি জারুল এবং ১টি সোনালু মোট ৪ হাজার ৮৬৯টি গাছ লাগানোর কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শরিফা হক। তারই ধারাবাহিকতায় কালিহাতী উপজেলার ১৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কৃষ্ণচূড়া, জারুল ও সোনালু গাছ রোপন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বৃক্ষরোপণ আমাদের নৈতিক দায়িত্ব‌। পরিবেশের ক্ষতি করে পৃথিবীতে কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না। তাই উন্নয়নের সঙ্গে আমাদের পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। উন্নয়নের নামে বৃক্ষ নিধন, বনভূমি উজাড় ও প্রাকৃতিক জলাশয় ভরাটের মতো কাজ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে এবং প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে বৃক্ষরোপণ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এম.কন্ঠ/  ২৫ জুন   /এম. টি