ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:৫৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ছবি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল ঘটনায় মাদরাসা শিক্ষকক খাইরুল ইসলামকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৪।

মঙ্গলবার সকালে এসআরবি-১৪ এর মিডিয়া অফিসার নাদিয়া ফারজানার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। খাইরুল ইসলাম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা গ্রামের ইনাম আলীর ছেলে।

এসআরবি এবং এজাহারের বিবরণে জানা গেছে, ওই গৃহবধূর মেয়ের একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করছে। সেই সুবাদে গৃহবধূর মেয়েকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন শিক্ষক খাইরুল ইসলাম। ছাত্রীর পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়ার অজুহাতে তিনি প্রায়ই ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ আগস্ট বিকেলে তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে যান। এসময় ওই গৃহবধূর মেয়ে বাইরে খেলতে যায়। পরে বাড়িতে একা পেয়ে খাইরুল ইসলাম ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। একই সাথে তিনি কৌশলে কিছু আপত্তিকর ছবি ধারণ করেন। পরবর্তীতে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিনি পুনরায় ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গত ২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর এসআরবি-১৪ সিপিসি-৩ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে সোমবার সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা কলেজ মোড়ে অভিযান পরিচালনা করে খাইরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃতে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এম.কন্ঠ/ ১৩ অক্টোবর ২০২৬/এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার

প্রকাশ: ০১:৫৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ছবি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল ঘটনায় মাদরাসা শিক্ষকক খাইরুল ইসলামকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে এসআরবি-১৪।

মঙ্গলবার সকালে এসআরবি-১৪ এর মিডিয়া অফিসার নাদিয়া ফারজানার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। খাইরুল ইসলাম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা গ্রামের ইনাম আলীর ছেলে।

এসআরবি এবং এজাহারের বিবরণে জানা গেছে, ওই গৃহবধূর মেয়ের একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করছে। সেই সুবাদে গৃহবধূর মেয়েকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন শিক্ষক খাইরুল ইসলাম। ছাত্রীর পড়াশোনার খোঁজখবর নেওয়ার অজুহাতে তিনি প্রায়ই ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ আগস্ট বিকেলে তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে যান। এসময় ওই গৃহবধূর মেয়ে বাইরে খেলতে যায়। পরে বাড়িতে একা পেয়ে খাইরুল ইসলাম ওই গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। একই সাথে তিনি কৌশলে কিছু আপত্তিকর ছবি ধারণ করেন। পরবর্তীতে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিনি পুনরায় ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গত ২ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর এসআরবি-১৪ সিপিসি-৩ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে সোমবার সন্ধ্যায় কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা কলেজ মোড়ে অভিযান পরিচালনা করে খাইরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃতে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এম.কন্ঠ/ ১৩ অক্টোবর ২০২৬/এম. টি